ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
সংসদে নিজের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে কঙ্গনা বলেন, দেশের নারীদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। তাঁর মতে, আগে নারীবাদের কথা কেবল বইয়ের পাতায় বা তত্ত্বে সীমাবদ্ধ ছিল, কিন্তু মোদি সরকার তা বাস্তবে রূপদান করেছে। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে ‘নারীবাদের মসিহা’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, মোদির হাত ধরেই সংসদ ও বিধানসভায় নারীদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষিত হতে চলেছে।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে নাম না করে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন হিমাচল প্রদেশের মান্ডির এই সাংসদ। কঙ্গনা বলেন:
“যাঁরা নিজেদের নারীবাদের ধ্বজাধারী বলে মনে করেন এবং দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থেকেও নারীদের অধিকার ফিরিয়ে দেননি, আজ তাঁদের আত্মমন্থন করা উচিত।”
কঙ্গনার দাবি, পূর্ববর্তী ইউপিএ সরকারের সময় মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে কোনো সদিচ্ছা ছিল না, বরং রাজনৈতিক স্বার্থে তা ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। মোদি সরকারের হাত ধরে এই ঐতিহাসিক পরিবর্তনের জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
কঙ্গনার এই ‘ফিল্মি’ বক্তৃতার সময় বিরোধী বেঞ্চ থেকে ব্যাপক শোরগোল শুরু হয়। বিরোধীরা তাঁর এই বক্তব্যকে ‘চাটুকারিতা’ বলে কটাক্ষ করেন। কংগ্রেস সাংসদদের একাংশের মতে, সংসদে নীতিগত আলোচনার বদলে কঙ্গনা কেবল প্রচার পাওয়ার জন্য নাটকীয় পরিবেশ তৈরি করছেন।
তবে কঙ্গনা দমে না গিয়ে সাফ জানান, নরেন্দ্র মোদি নারীদের যে সম্মান দিয়েছেন, তা ভারতের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে এবং এটিই হলো আসল ‘নারী শক্তি বন্দন’।
জান্নাত/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ