ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
ডা. অমৃত লাল হালদার নবজাতক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, বারডেম মহিলা ও শিশু হাসপাতাল
হাম কেবল সাধারণ কোনো জ্বর বা ফুসকুড়ি নয়, এটি অত্যন্ত সংক্রামক একটি ভাইরাসজনিত রোগ যা শিশুর জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। সঠিক সময়ে টিকা না দিলে এই রোগ থেকে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, এমনকি মস্তিষ্কের প্রদাহের মতো প্রাণঘাতী জটিলতা দেখা দিতে পারে।
প্রাথমিক লক্ষণ: জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া এবং চোখ লাল হয়ে যাওয়া।
পরবর্তী ধাপ: কয়েক দিনের মধ্যে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি দেখা দেয়।
ঝুঁকি: অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের ক্ষেত্রে এই রোগের জটিলতা জীবনকে হুমকির মুখে ঠেলে দিতে পারে।
হামের টিকা নিরাপদ এবং দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা প্রদান করে। বিশ্বজুড়ে প্রমাণিত যে, সময়মতো টিকা গ্রহণ করলে হামজনিত মৃত্যু ও পঙ্গুত্বের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।
যখন সমাজের অধিকাংশ শিশু টিকার আওতায় আসে, তখন ভাইরাসের বিস্তার কমে যায়। একে ‘হার্ড ইমিউনিটি’ বলে। এর ফলে যেসব শিশু কোনো কারণে টিকা নিতে পারেনি, তারাও পরোক্ষভাবে সুরক্ষা পায়। তাই সমাজকে নিরাপদ রাখতে সম্মিলিতভাবে শিশুদের টিকা দেওয়া জরুরি।
বর্তমানে চলমান বিশেষ কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী প্রত্যেক শিশুকে টিকার আওতায় আনা হচ্ছে। যেসব শিশু নিয়মিত টিকাদান থেকে বাদ পড়েছে, তাদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। শিশুর নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য কোনো ধরনের অবহেলা না করে নির্ধারিত কেন্দ্রে গিয়ে টিকা নিশ্চিত করুন।
জান্নাত/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ