ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
আধুনিক ডিজিটাল যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে সদকা কেবল অর্থ দান করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং পরোপকার বা জনকল্যাণমূলক প্রতিটি কাজই সদকা হিসেবে গণ্য। সেই প্রেক্ষাপটে বর্তমান সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোকে যদি দ্বীন প্রচার ও মানুষের উপকারের নিয়তে ব্যবহার করা হয়, তবে প্রতিটি শেয়ার বা লাইক একজন মুমিনের জন্য সদকার সওয়াব বয়ে আনতে পারে। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর হাদিস অনুযায়ী, প্রতিটি সৎকাজই সদকা। তাই ভালো কোনো তথ্য, ধর্মীয় উপদেশ কিংবা শিক্ষামূলক ভিডিও শেয়ার করা একটি উত্তম কাজ, যার মাধ্যমে অন্য কেউ উপকৃত হলে শেয়ারকারী ঘরে বসেই সওয়াব পেতে থাকবেন। এমনকি মৃত্যুর পরও এই ভালো কাজের ধারা ‘সদকায়ে জারিয়া’ হিসেবে অব্যাহত থাকতে পারে।
ইসলামে যেকোনো আমল কবুল হওয়ার প্রধান শর্ত হলো সহিহ নিয়ত। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, প্রতিটি কাজের ফল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল। যদি কোনো ইসলামিক পোস্ট শেয়ার করার উদ্দেশ্য কেবল লাইক বা ফলোয়ার বাড়ানো হয়, তবে তা দুনিয়াবি কাজ হিসেবে গণ্য হবে। কিন্তু যদি আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং মানুষের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছানোর নিয়ত থাকে, তবে সেই সামান্য একটি ক্লিকও ইবাদতে পরিণত হবে। এর মাধ্যমে একাধিক সওয়াব লাভের সুযোগ রয়েছে; যেমন- মানুষের শিক্ষা গ্রহণ, দাওয়াতের সওয়াব এবং মুসলিম ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধি। একইভাবে আল্লাহর ভয়ে কোনো মন্দ বা অশ্লীল পোস্ট শেয়ার করা থেকে বিরত থাকাও একটি বড় আমল। তাই সোশ্যাল মিডিয়াকে কেবল বিনোদনের মাধ্যম না বানিয়ে একে ‘ডিজিটাল দাওয়াত’ বা সদকার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা এখন সময়ের দাবি। আমাদের প্রতিটি কার্যক্রম যেন কিয়ামতের ময়দানে আমাদের পক্ষে সাক্ষী দেয়, সেই লক্ষ্যে সর্বদা নিয়তকে পরিশুদ্ধ রাখা জরুরি।
জান্নাত/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ