ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান চরম উত্তেজনার মুখে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে উভয় পক্ষকে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে জানানো হয়েছে, আলোচনার টেবিলে না বসলে ‘যুদ্ধই একমাত্র বিকল্প’ হিসেবে রয়ে যাবে। আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) সাউথ এশিয়ান স্ট্র্যাটেজিক স্ট্যাবিলিটি ইনস্টিটিউট ইউনিভার্সিটির মহাপরিচালক ও পাকিস্তান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মারিয়া সুলতান এই তথ্য জানিয়েছেন।
আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মারিয়া সুলতান বলেন, যদি যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো না হতো, তবে আমরা পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক পরিস্থিতির এক ভয়াবহ অবনতি দেখতে পেতাম। এটি হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলত। এই অঞ্চলে বিশাল মার্কিন সামরিক উপস্থিতি রয়েছে।
পাকিস্তান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই উপদেষ্টা জানান, পাকিস্তান বর্তমানে ওয়াশিংটন ও তেহরানের সঙ্গে নিবিড় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। উভয় পক্ষকে পুনরায় ইসলামাবাদে সরাসরি বৈঠকে বসার আহ্বান জানিয়েছে। তার মতে, সংলাপে বসতে ব্যর্থ হলে দুই দেশের সামনে যুদ্ধের পথ বেছে নেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না। তবে তিনি কিছুটা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আমরা এখনও অত্যন্ত আশাবাদী যে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পুনরায় আলোচনা শুরু হবে।
মারিয়া সুলতানের মতে, উভয় পক্ষই বর্তমান পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝতে পারছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, তারা জানে যে যুদ্ধের পরবর্তী ধাপের পরিণতি হবে আরও ভয়াবহ। এটি কেবল ওই দুই দেশের জন্য নয়, বরং পুরো অঞ্চল ও বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি বয়ে আনবে। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানোর ঘোষণা দেন।
আল জাজিরা
আই.এ/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ