ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
মো. নুরনবী সানি, নরসিংদী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নরসিংদীর পাঁচটি আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও সবচেয়ে বেশি আলোচনার ঝড় উঠেছে নরসিংদী-২ (পলাশ) আসনটি ঘিরে। এখানে লড়াই হচ্ছে অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ এবং নতুন প্রজন্মের এক উদীয়মান প্রতিনিধির মধ্যে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এই আসনের দীর্ঘদিনের জনপ্রতিনিধি, যার মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) তরুণ প্রার্থী সারোয়ার তুষার।
ভোটের লড়াইয়ে মঈন খান অভিজ্ঞতার ওপর ভরসা করলেও সারোয়ার তুষার তাঁর প্রচারণায় স্থানীয়ভাবে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকের বিরুদ্ধে এক ব্যাপক ঐক্যের ডাক দিয়েছেন। তিনি দাবি করছেন, দীর্ঘদিন পলাশবাসী যাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে এসব অপকর্ম দেখেছে, মানুষ তাদের আর ভোট দিতে চায় না। এনসিপির এই প্রার্থীর পক্ষ থেকে 'পরিবর্তনের স্লোগান' আসনটিকে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে।
অন্যদিকে, পার্শ্ববর্তী নরসিংদী-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আরিফ উল ইসলাম মৃধা বিএনপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে হুমকি ও অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ আনলেও নরসিংদী-২ এর চিত্র কিছুটা ভিন্ন। ড. মঈন খান এবং বিএনপি নেতৃবৃন্দ এই অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, তারা বিপুল ভোটে জয়ের পথে রয়েছেন এবং সব আসনেই সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রয়েছে।
নরসিংদী সদরে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইব্রাহিম ভূঁইয়াও জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী হয়ে ভোটারদের কাছে বিকল্প হিসেবে ‘দাঁড়িপাল্লা’কে তুলে ধরছেন। জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটের পরিবেশ নিশ্চিতে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। ১৯ লাখ ৪৭ হাজার ভোটারের এই জেলায় এখন দেখার বিষয়—জনগণ অভিজ্ঞ হেভিওয়েট প্রার্থীকে বেছে নেন নাকি পরিবর্তনের নতুন মুখ।
এন.এস/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ