গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী করে ফ্যাসিবাদের অবসান ঘটাতে হবে: আখতার হোসেন

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী করে ফ্যাসিবাদের অবসান ঘটাতে হবে: আখতার হোসেন

হাবিবুর রহমান হাবিব, পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি: রংপুর-৪ আসনে এগারো দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র সদস্য সচিব আকতার হোসেন বলেছেন, "রংপুরের সন্তান আবু সাঈদ বুক পেতে না দিলে আজ আমরা ফ্যাসিবাদ মুক্ত হতে পারতাম না। আগামী গণভোটে আমাদের আর ‘না’ বলার সুযোগ নেই—‘হ্যাঁ’ ভোটকে অবশ্যই বিজয়ী করে ফ্যাসিবাদ ও বৈষম্যের অবসান ঘটাতে হবে।"

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাতে পীরগাছা সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। আকতার হোসেন গত ১৬ বছরের নির্যাতন ও বৈষম্যের কথা স্মরণ করে বলেন, পীরগাছার মানুষ চরমভাবে অবহেলিত ছিল। তিনি নির্বাচিত হলে প্রতিটি উন্নয়ন বরাদ্দের হিসাব জনসম্মুখে প্রকাশের জন্য বিশেষ বোর্ড স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেন।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও আধুনিক নাগরিক সেবার অঙ্গীকার জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, "আমরা শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তবায়নে বিশ্বাসী। নির্বাচিত হলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। এ ছাড়া একটি মাত্র ডিজিটাল কার্ডের মাধ্যমে সকল নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা হবে, যাতে সাধারণ মানুষকে আর দপ্তরে দপ্তরে ঘুরতে না হয়।"

ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র ও ভোটকেন্দ্র পাহারার ডাক জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, ১২ তারিখের নির্বাচন হবে ইনসাফ ও বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লড়াই। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী করা মানেই জুলাই বিপ্লবের শহীদদের আকাঙ্ক্ষার প্রতি সম্মান জানানো। এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "যে বিপ্লবী ছাত্ররা পুলিশের সামনে বুক পেতে দাঁড়িয়েছিল, তারাই এবার ভোটকেন্দ্র পাহারা দেবে।" এ সময় তিনি অর্থ পাচারকারী ও ঋণখেলাপিদের বর্জনের আহ্বান জানান।

ছাত্র শক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ আহসানের সঞ্চালনায় জনসভায় আরও বক্তব্য দেন রংপুর মহানগর জামায়াতের আমির এটিএম আজম খান, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন এবং যুব শক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

এম.এম/সকালবেলা

মন্তব্য করুন