ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
বাজারে স্বস্তি ফেরাতে দুই মাসে আসছে সাড়ে ৩ লাখ টন এলপিজি
বাজারে চরম নৈরাজ্যের পর অবশেষে বাড়ছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানি। চলতি মাসে ১২টি প্রতিষ্ঠান ১ লাখ ৬৭ হাজার মেট্রিক টন এবং আগামী মাসে ১ লাখ ৮৪ হাজার মেট্রিক টন এলপি গ্যাস আমদানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। সব মিলিয়ে আগামী দুই মাসে দেশে আসবে সাড়ে তিন লাখ মেট্রিক টন এলপিজি। এতে রমজানের আগেই বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরার আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বর্তমানে দেশে ১২ কেজি সিলিন্ডার গ্যাসের নির্ধারিত দাম ১৩০৬ টাকা হলেও বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকায়। এরপরও অনেক দোকানে এলপি গ্যাস না থাকার নোটিশ দেখা যাচ্ছে। গত মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে চলা এমন নজিরবিহীন সংকটে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন রান্নাবান্না থেকে যানবাহন—সব খাতের ভোক্তারা। সংকট মোকাবিলায় এলপিজি আমদানিতে ঋণ সুবিধা বাড়ানো, ভ্যাট-ট্যাক্স কমানো এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিপিসিকে আমদানির অনুমতিসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি আমদানিকারকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জ্বালানি উপদেষ্টা। এসব নীতিগত সিদ্ধান্তের ফলে স্থবিরতা কাটিয়ে আবারও বাড়ছে আমদানির হার।
আমদানিকারকদের আশ্বাস, পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে চলতি মাসে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি করা সম্ভব হবে। আগামী মাসে আমদানির লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ৮৪ হাজার মেট্রিক টন, যা সর্বোচ্চ চাহিদার তুলনায় ৩৪ হাজার মেট্রিক টন বেশি। এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) সহ-সভাপতি হুমায়ুন রশীদ বলেন, লোয়াবের সব সদস্য কাজ করছে এবং বেশ কিছু জাহাজ পথিমধ্যে রয়েছে। বেসরকারি খাত অত্যন্ত সক্রিয়; তারা বাজারে স্বল্পতা চাইছে না এবং শিগগিরই সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন হবে।
জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান আশা প্রকাশ করেছেন যে, আমদানি বাড়ায় বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরবে এবং রোজার আগেই সংকট কেটে যাবে। বর্তমানে দেশে এলপি গ্যাসের মাসিক চাহিদা ১ লাখ ২০ হাজার থেকে দেড় লাখ মেট্রিক টন ধরা হয়।
আই.এ/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ