ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ যে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে, তার মূলে রয়েছে ইসলামের মৌলিক নীতিমালার আলোকে একটি ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন। দলের আমির মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিম বুধবার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই রূপরেখা তুলে ধরেন।
তিনি স্পষ্টভাবে জানান যে, রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে তাঁর দল বিচারব্যবস্থায় ইনসাফ কায়েম, জনগণের স্বার্থের প্রতি সংবেদনশীলতা এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করতে দায়বদ্ধ থাকবে। ক্ষমতার চর্চা ও হস্তান্তরে গণতান্ত্রিক পদ্ধতি অনুসরণ করে একটি নিরাপদ ও সুশাসিত বাংলাদেশ গড়া তাদের অন্যতম লক্ষ্য।
নাগরিক অধিকারের ক্ষেত্রে দলটি এক বৈপ্লবিক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে, যেখানে ধর্ম বা জাতির ভিত্তিতে কাউকে সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু হিসেবে বিবেচনা করা হবে না; বরং দেশের প্রতিটি মানুষ সমান মর্যাদা ও অধিকার সম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গণ্য হবেন। প্রত্যেকের ধর্মীয় বিশ্বাস পালনের জন্য নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে বিশ্বরাষ্ট্রগুলোর সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে, তবে বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার করে কোনো প্রতিবেশী রাষ্ট্রের ক্ষতি করতে না দেওয়ার বিষয়ে তারা কঠোর প্রতিজ্ঞ।
নারীর অধিকার ও মর্যাদার বিষয়ে চরমোনাই পীর উল্লেখ করেন যে, বিদ্যমান চিন্তাকাঠামোয় শরীয়াহ ও নারীকে পরস্পরবিরোধী মনে করা হলেও আসলে ইসলামই নারীর কর্মসংস্থান, মর্যাদা ও স্বাধীনতার জন্য সবচেয়ে কার্যকর নীতি। এই ভূমির হাজার বছরের ঐতিহ্য ও বিশ্বাসের আলোকেই নারীর অবস্থান সুদৃঢ় করা হবে। ব্যবসা-বাণিজ্য এবং প্রযুক্তিগত জ্ঞান আদান-প্রদানকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে একটি সমৃদ্ধ ও সাম্যভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ার অঙ্গীকার ইশতেহারের প্রতিটি অংশে ফুটে উঠেছে।
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ