ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
মার্কিন নাগরিক হত্যার পক্ষে সাফাই দিলো ট্রাম্প প্রশাসন
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসনবিরোধী অভিযানে নিহতের সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। রবিবার মিনিয়াপোলিসে ফেডারেল এজেন্টের গুলিতে মার্কিন নাগরিক অ্যালেক্স প্রেট্টির নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
ট্রাম্প প্রশাসন এই ঘটনার সমর্থন জানিয়েছে, যা স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ফেডারেল কর্মকর্তাদের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রেট্টি কর্মকর্তাদের ওপর হামলা করেছিলেন এবং তারা আত্মরক্ষার জন্য গুলি চালিয়েছেন। তবে প্রত্যক্ষদর্শীদের ভিডিওতে দেখা গেছে, প্রেট্টির হাতে বন্দুক ছিল না; শুধু একটি মোবাইল ফোন ছিল।
ভিডিওতে দেখা যায়, প্রেট্টি ধাক্কায় মাটিতে পড়ে থাকা কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে সাহায্য করতে এগিয়ে যান। একপর্যায়ে এজেন্টরা তাকে পিপার স্প্রে করে ধরে ফেলেন এবং ধস্তাধস্তির মধ্যে মাটিতে নামান। এরপর একজন এজেন্ট তার কোমর থেকে হ্যান্ডগান বের করে কয়েক মিনিটের মধ্যে চার রাউন্ড গুলি ছোড়েন।
আইসের সাবেক বাল্টিমোর ফিল্ড অফিস প্রধান ড্যারিয়াস রিভস বলেছেন, ফেডারেল এজেন্টদের মধ্যে সমন্বয়হীনতা উদ্বেগজনক। মিনেসোটা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রেট্টির কাছে জনসমক্ষে অস্ত্র বহনের বৈধ অনুমতি ছিল, যা ২০২২ সালে সুপ্রিম কোর্ট সাংবিধানিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
ট্রাম্প প্রশাসন শহরে হাজার হাজার সশস্ত্র ও মুখোশধারী এজেন্ট মোতায়েন করেছে। মিনেসোটার ডেমোক্র্যাট গভর্নর টিম ওয়ালজ তাদের রাজ্য থেকে প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন এবং ফেডারেল আদালতে অভিযোগ দাখিল করেছেন, অভিযানের সাংবিধানিক সীমা লঙ্ঘনের অভিযোগে।
মিনিয়াপোলিসে চলতি মাসে ফেডারেল এজেন্টের গুলিতে প্রেট্টি নিহত হওয়া দ্বিতীয় ঘটনা। এর আগে রেনি গুড নামে এক নারীও একইভাবে নিহত হয়েছেন। এছাড়া চলতি মাসেই অভিবাসন বন্দিশালায় অন্তত ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে।
আই.এ/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ