আওয়ামী লীগ নেতাকে ছেড়ে দিল পুলিশ কনস্টেবল

আওয়ামী লীগ নেতাকে ছেড়ে দিল পুলিশ কনস্টেবল

আওয়ামী লীগ নেতাকে ছেড়ে দিল পুলিশ কনস্টেবল

 মোঃ ইমরান মাহমুদ, জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের মেলান্দহ থানার কনস্টেবল শাহীনুর ইসলামের বিরুদ্ধে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে আটক করার পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মেলান্দহ সাব-রেজিস্ট্রার মাঠে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর থেকে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। অভিযুক্ত কনস্টেবল শাহীনুর ইসলাম মেলান্দহ থানার ওসির বডিগার্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

জানা যায়, আওয়ামী লীগ নেতা ও দলিল লেখক শাহীনকে গ্রেপ্তারে মেলান্দহ থানার একদল পুলিশ সদস্য অভিযান চালান। অভিযানে তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ সময় শাহীন দুই কনস্টেবল শাহীনুর ইসলাম ও কনস্টেবল (মুন্সি) মাহাবুব আলমের সঙ্গে একান্ত আলাপ করে সেখান থেকে চলে যান। বিষয়টি স্থানীয় বিএনপি নেতারা দেখে ফেলায় সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

অভিযোগ রয়েছে, ওসির বডিগার্ড হওয়ার পর থেকেই কনস্টেবল শাহীনুর ইসলাম বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। বিভিন্ন অভিযোগ তদন্ত, মামলা রেকর্ড এবং আওয়ামী লীগ নেতাদের গ্রেপ্তারে তদবিরের নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। ইতি নামে এক ভুক্তভোগী নারী জানান, পারিবারিক সম্পত্তির বিরোধ নিয়ে থানায় গেলে শাহীনুর পরামর্শ ও অভিযোগ দেওয়ার কথা বলে তাঁর কাছ থেকে ৪ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন।

সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, দলিল লেখক শাহীনকে পুলিশ ধরে ছেড়ে দিয়েছে বলে তিনি শুনেছেন। একজন বিএনপি নেতাও একই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

অভিযোগের বিষয়ে কনস্টেবল শাহীনুর ইসলাম বলেন, “আমরা সাদা পোশাকে তাঁর সঙ্গে কথা বলছিলাম। অতিরিক্ত ভিড়ের মধ্যে তাঁকে আনা সম্ভব ছিল না। মোবাইল নেওয়ার কথা বলে তিনি অফিসের ভেতরে গিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান।” এ বিষয়ে কনস্টেবল মাহাবুব আলমের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

মাদারগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, “ঘটনাটি শুনেছি। তবে সুনির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আই.এ/সকালবেলা

মন্তব্য করুন