ঢাকায় অননুমোদিত ভবন শনাক্ত করা হচ্ছে: গণপূর্তমন্ত্রী

প্রকাশ: বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৮ অপরাহ্ণ
ঢাকায় অননুমোদিত ভবন শনাক্ত করা হচ্ছে: গণপূর্তমন্ত্রী

অর্থনৈতিক রিপোর্টার: রাজধানী ঢাকায় প্ল্যান ব্যতিরেকে বা নকশা বহির্ভূতভাবে নির্মিত ভবনগুলো শনাক্ত করার কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের।

বুধবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে দৈনিক বণিক বার্তা আয়োজিত ‘স্মার্ট সিটি কনক্লেভ ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। অনুষ্ঠানে স্মার্ট আবাসন, টেকসই নগরায়ণ ও ভবিষ্যতের বাংলাদেশের নীতিগত চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

বণিক বার্তার সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজউক চেয়ারম্যান মো. রিয়াজুল ইসলাম, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোসা. ফেরদৌসী বেগম, বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. ইশতিয়াক আহমেদ, ডিবিএইচ ফাইন্যান্সের সিইও নাসিমুল বাতেন, জিপিএইচ গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এবং ইস্ট কোস্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরীসহ নগর পরিকল্পনা সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে গণপূর্তমন্ত্রী জানান, রাজউকের আওতাধীন ধানমন্ডিসহ অভিজাত এলাকাগুলোতে নকশা অনুমোদন দেওয়া হলেও বহু ভবন শর্ত মেনে করা হয়নি। এসব ঝুঁকিপূর্ণ ও নকশাবহির্ভূত স্থাপনা সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আরবান ডেভেলপমেন্ট ডাইরেক্টরেটের (ইউডিডি) মাধ্যমে ১০ বছর মেয়াদি মাস্টার প্ল্যান তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা প্রথমে মেট্রোপলিটন সিটি এবং পরবর্তীতে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত সম্প্রসারিত হবে।

নগর সমস্যা তুলে ধরে মন্ত্রী আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, গুলশান-বনানী-বারিধারা আবাসিক এলাকার প্রায় ৪ হাজার ৩০০ ভবনের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশের নকশায় সেফটি ট্যাংক ও সোকওয়েল থাকলেও বাস্তবে তা নির্মিত হয়নি। এমনকি নামিদামি ডেভেলপাররাও স্যুয়ারেজ লাইন বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের স্টর্ম ড্রেনে যুক্ত করে লেকের পানি দূষিত করছে।

এছাড়া নির্মাণ মান নিয়ন্ত্রণে ‘বাংলাদেশ বিল্ডিং রেগুলেটরি অথরিটি’ গঠনের কাজ চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, নতুন নিয়মে ভবন তৈরির পর সংশ্লিষ্ট ডিজাইনারদের প্রত্যয়ন সাপেক্ষেই কেবল অকুপেন্সি সার্টিফিকেট দেওয়া হবে। সঠিক পরিকল্পনার সুবিধার্থে অবিলম্বে হালনাগাদ শুমারি পরিচালনার ওপরও তিনি জোর দেন।

এআইএল/সকালবেলা