ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
শাহবাগ-যমুনা এলাকায় পে-স্কেল ঘোষণার দাবিতে আন্দোলনরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পুলিশের দফায় দফায় লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেডের মুখে যমুনার সামনে থেকে সরে যেতে বাধ্য হন।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার পর আন্দোলনকারীরা শাহবাগের দিকে চলে যান। এ সময় বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়।
সকালে সাড়ে ১১টার পর থেকে সারা দেশ থেকে আগত কর্মচারীরা যমুনার সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন। নবম পে-স্কেল ঘোষণার দাবিতে সারাদেশ থেকে কয়েক হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী শহীদ মিনার থেকে যমুনার দিকে রওনা হন। শাহবাগ মোড়ে প্রথমে পুলিশ জলকামান দিয়ে ছত্রভঙ্গের চেষ্টা করলেও আন্দোলনকারীরা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় হয়ে যমুনার সামনে পৌঁছান।
দুপুরে পুলিশ এবং বিজিবি সদস্যরা আন্দোলনকারীদের সরানোর চেষ্টা শুরু করেন। বারবার জলকামান, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। আন্দোলনকারীরা রমনা পার্কে আশ্রয় নেন, কিন্তু প্রায় ঘণ্টাব্যাপি পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা চলতে থাকে। এ সময় কয়েকজন আহত এবং ৪-৫ জনকে আটক করা হয়।
আন্দোলনকারী শাহাদাৎ বলেন, “আমাদের আন্দোলন ন্যায্য। দীর্ঘ ৯ মাস কমিশন প্রতিবেদন দিয়েছে, এখন শুধু গেজেটের অপেক্ষা। পুলিশি হামলা নির্বাচনের আগে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অধিকার ক্ষুণ্ণ করতে চাচ্ছে।”
রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার মাসুদ আলম জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং প্রাথমিকভাবে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।
আই.এ/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ