ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
মোঃ ইয়াছিন রুবেল, নোয়াখালী প্রতিনিধি: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে নোয়াখালীর ছয়টি সংসদীয় আসন থেকে ৫ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এর ফলে বর্তমানে জেলার ছয়টি আসনে নির্বাচনী লড়াইয়ে অবশিষ্ট রইলেন মোট ৪৭ জন বৈধ প্রার্থী। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে গত ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে নোয়াখালীর ৬টি আসনে মোট ৬২ জন প্রার্থী তাদের আবেদন দাখিল করেছিলেন। যাচাই-বাছাই ও আপিল শুনানি শেষে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা নির্ধারিত হয়। মঙ্গলবার প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময়ে ৫ জন প্রার্থী সশরীরে উপস্থিত হয়ে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। প্রত্যাহারকারী প্রার্থীরা হলেন— নোয়াখালী-১ আসন থেকে জামায়াতে ইসলামীর সাইয়েদ আহমেদ, নোয়াখালী-২ আসনে খেলাফত মজলিসের তোফাজ্জ্বল হোসেন, নোয়াখালী-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেওয়া সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের স্ত্রী হাসনা জসিম উদদীন মওদুদ ও খেলাফত মজলিসের আলী আহমদ এবং নোয়াখালী-৬ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শাহ মোহাম্মদ মাহফুজুল হক।
এদিকে ৫ জন প্রার্থী সরে দাঁড়ালেও জেলাজুড়ে আলোচনায় থাকা বেশ কয়েকজন স্বতন্ত্র ও বিদ্রোহী প্রার্থী এখনো নির্বাচনী মাঠে অনড় রয়েছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন— নোয়াখালী-২ (সেনবাগ ও সোনাইমুড়ীর আংশিক) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কাজী মফিজুর রহমান এবং নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে জেলা বিএনপির সদস্য প্রকৌশলী তানভির উদ্দিন রাজীব ও সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফজলুল আজিম। তারা তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় সংশ্লিষ্ট আসনগুলোতে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি নিজ দলের মধ্যেই কঠিন লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখছেন স্থানীয় ভোটাররা। বুধবার (২১ জানুয়ারি) চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই জেলাজুড়ে নির্বাচনী প্রচারণার মূল আমেজ শুরু হবে বলে জানিয়েছে জেলা নির্বাচন কার্যালয়।
এম.এম/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ