মিজানুর রহমান মিনুকে মন্ত্রী পরিষদে দেখতে চান রাজশাহীবাসী

মিজানুর রহমান মিনুকে মন্ত্রী পরিষদে দেখতে চান রাজশাহীবাসী

মোঃ মনোয়ার হোসেন, রাজশাহী: গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হলো ইতিহাসের সবচেয়ে আলোচিত ও শান্তিপূর্ণ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই এখন মানুষের মুখে মুখে নতুন আলোচনার বিষয়—কে কে স্থান পাচ্ছেন আগামীর মন্ত্রিসভায়? এই আলোচনায় এখন সবচেয়ে জোরালোভাবে উচ্চারিত হচ্ছে উত্তরাঞ্চল রাজনীতির ‘সিংহ পুরুষ’ খ্যাত মিজানুর রহমান মিনুর নাম।

দীর্ঘদিন ধরে রাজশাহী অঞ্চল থেকে কেউ পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পাননি। মাঝে মাঝে কেউ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেও রাজশাহীবাসীর পূর্ণ মন্ত্রীর যে আকাঙ্ক্ষা, তা অপূর্ণই থেকে গেছে। এবার ২১২টি আসন পেয়ে বিএনপি সরকার গঠন করতে যাওয়ায় রাজশাহীবাসী নতুন করে আশায় বুক বাঁধছেন। তাঁদের দাবি, অভিজ্ঞ ও রাজপথের পরীক্ষিত নেতা মিজানুর রহমান মিনুকে এবার পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়া হোক।

রাজশাহীর ৬টি আসনের মধ্যে ৪টিতেই জয় পেয়েছে বিএনপি। নির্বাচিত এই চারজন এমপির মধ্যে একমাত্র রাজশাহী-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিনুই সবচেয়ে অভিজ্ঞ এবং প্রবীণ। তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়েছিল ছাত্রদল দিয়ে:

 রাজশাহীর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মিজানুর রহমান মিনুর নেতৃত্বের প্রশংসা করছেন।

রাজশাহী সড়ক পরিবহণ গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম হেলাল বলেন, “মিজানুর রহমান মিনুর মতো বলিষ্ঠ নেতা উত্তরাঞ্চলে আর নেই। তাঁকে যদি সড়ক পরিবহন ও সেতুর মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়, তবে পুরো উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটবে।”

শিক্ষক নেতা সাদিকুল ইসলাম মনে করেন, এই শহরকে ‘শিক্ষা নগরী’ হিসেবে রূপ দিয়েছিলেন মিনু। তাই শিক্ষার মানোন্নয়নে তাঁকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হলে রাজশাহী আবারও তার হারানো ঐতিহ্য ফিরে পাবে।

উপসংহার রাজশাহীর নেটিজেন থেকে শুরু করে প্রবীণ রাজনৈতিক বিশ্লেষক—সবার মতেই, মিজানুর রহমান মিনু একজন ‘উন্নয়নের কারিগর’। বর্তমান প্রেক্ষাপটে উত্তরাঞ্চলের সুষম উন্নয়ন ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে তাঁর মতো অভিজ্ঞ একজনকে মন্ত্রিসভায় রাখা সময়ের দাবি। রাজশাহীবাসীর এখন একটাই চাওয়া—বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে ‘সিংহ পুরুষ’ মিনুকে পূর্ণ মন্ত্রীর মর্যাদায় দেখা।

এম.এইচ/সকালবেলা

মন্তব্য করুন