ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ) সকালে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় প্রচারমাধ্যমে বলা হয়েছে, ‘ইরানের সর্বোচ্চ নেতা শাহাদাত বরণ করেছেন’। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন ইরানের এই ঐতিহাসিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের খবরটি গুরুত্বের সাথে প্রচার করেছে।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গতকাল শনিবার সকালে রাজধানী তেহরানে খামেনির নিজস্ব কার্যালয়ে এক ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটে। ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানে এই সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে (টার্গেটেড স্ট্রাইক) আঘাত হানা হয়। এর আগে খামেনির মৃত্যুর খবরটি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ একটি পোস্ট দেন। সেখানে ট্রাম্প খামেনিকে ‘ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট ব্যক্তি’ হিসেবে অভিহিত করে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।
সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুতে ইরানে আজ রোববার (১ মার্চ) থেকে পরবর্তী ৪০ দিনের জন্য রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। একইসঙ্গে দেশজুড়ে সামরিক ও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী থাকা এই নেতার প্রস্থান মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে এক বিশাল শূন্যতা ও অস্থিরতা তৈরি করবে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে দেশটির পরবর্তী উত্তরসূরি নির্বাচন এবং মার্কিন-ইসরায়েল বলয়ের সঙ্গে ইরানের দীর্ঘস্থায়ী বৈরিতার ভবিষ্যৎ এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে। তেহরান থেকে পাওয়া সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, দেশটির সাধারণ মানুষের মধ্যে শোক ও উত্তেজনার মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।
এম.এম/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ