ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে পাকিস্তানের করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটের সামনে বিক্ষোভ ও ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রবিবার মাই কোলাচি রোডে অবস্থিত কনস্যুলেট এলাকায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন এ খবর জানিয়েছে।
হাসপাতাল সূত্র ও উদ্ধারকারী সংস্থাগুলো একাধিক প্রাণহানির এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় খামেনির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এই বিক্ষোভ শুরু হয়। উদ্ধারকারী সংস্থা এডি-এর এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী টিয়ার গ্যাস এবং লাঠিচার্জ করে। করাচি সিভিল হাসপাতালের (সিএইচকে) পুলিশ সার্জন ড. সুমাইয়া সৈয়দ জানিয়েছেন, হাসপাতালটিতে ছয়টি মরদেহ আনা হয়েছে। এডি অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ ও আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
সিন্ধুর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়াউল হাসান লাঞ্জার এই পরিস্থিতির বিষয়ে করাচির অতিরিক্ত আইজিপি আজাদ খানের কাছে তাৎক্ষণিক প্রতিবেদন তলব করেছেন। এক বিবৃতিতে মন্ত্রী বলেন, কাউকে আইন নিজের হাতে তুলে নিতে দেওয়া হবে না। তিনি সংবেদনশীল স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। সংঘর্ষের কারণে মাই কোলাচি রোডের উভয় পাস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। করাচি ট্রাফিক পুলিশ সুলতানাবাদ ট্রাফিক সেকশন থেকে যান চলাচল বন্ধ করে বিকল্প রুট ব্যবহারের নির্দেশনা দিয়েছে। জিন্নাহ ব্রিজ, আইআই চুন্দ্রিগড় রোড এবং বোট বেসিন এলাকায় ট্রাফিক পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। সাধারণ মানুষকে ভোগান্তি এড়াতে ট্রাফিক হেল্পলাইন ১৯১৫-এ যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
আই.এ/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ