ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: অবশেষে শর্তসাপেক্ষে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। যুদ্ধবিরতি আলোচনায় মধ্যস্থতা করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ। যুদ্ধবিরতি চলাকালীন কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলো থেকে ট্রানজিট ফি আদায়ের পরিকল্পনা করছে ইরান ও ওমান। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির সূত্র দিয়ে এ খবর দিয়েছে সিএনএন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই সপ্তাহের জন্য ঘোষিত এই যুদ্ধবিরতি চলাকালে এই নৌপথ ব্যবহারকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর নির্দিষ্ট হারে ফি আরোপের বিষয়ে দেশ দুটি একমত হয়েছে। সংগৃহীত এই অর্থ পুনর্গঠন কাজের জন্য বরাদ্দ করা হবে বলে জানিয়েছে তাসনিম নিউজ। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই নৌপথটি কার্যত বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে এই রুট দিয়ে মাত্র ৫ শতাংশ জাহাজ চলাচল করছে। প্রতিটি জাহাজ থেকে ইরান ২০ লাখ ডলার (প্রায় ২৪ কোটি টাকা) পর্যন্ত ফি দাবি করছে বলে তথ্য রয়েছে। তবে কোনো কোম্পানি এই অর্থ পরিশোধ করেছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
যুদ্ধবিরতির আওতায় লেবানন অন্তর্ভুক্ত নয়: ইসরায়েল এদিকে যুদ্ধবিরতির আওতায় লেবানন অন্তর্ভুক্ত নয় বলে জানিয়েছে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়। বুধবার এক বিবৃতিতে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হামলা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্তকে ইসরায়েল সমর্থন করলেও এই যুদ্ধবিরতি লেবাননের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। ইসরায়েলের এই অবস্থান পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তান দাবি করেছিল লেবানন চুক্তির অন্তর্ভুক্ত, তবে ট্রাম্পের বিবৃতিতে এ বিষয়ে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।
নিজেদের বিজয়ী দাবি করছে হোয়াইট হাউস যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর হোয়াইট হাউস নিজেদের বিজয়ের দাবি করেছে। প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট সোশ্যাল মিডিয়ায় জানান, এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি বিজয়। তিনি উল্লেখ করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ মাত্র ৩৮ দিনেই মূল সামরিক লক্ষ্যগুলো অর্জন করেছে। সামরিক বাহিনীর এই সাফল্য একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করায় ট্রাম্প ও তার দল কঠিন দরকষাকষির সুযোগ পেয়েছেন, যা দীর্ঘমেয়াদি শান্তির পথ প্রশস্ত করেছে।
সূত্র: সিএনএন
আই.এ/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ