ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানে ইরানের অন্যতম শীর্ষ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং প্রভাবশালী সামরিক কমান্ডার নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা 'ইরনা' নিশ্চিত করেছে যে, সর্বোচ্চ নেতার রাজনৈতিক উপদেষ্টা আলী শামখানি এবং ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) পদাতিক শাখার প্রধান জেনারেল মোহাম্মদ পাকপুর এই হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।
নিহত আলী শামখানি ছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক কৌশলবিদ। তিনি দীর্ঘদিন দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ইরানের আঞ্চলিক নীতি নির্ধারণে তার ভূমিকা ছিল অপরিসীম। অন্যদিকে, জেনারেল মোহাম্মদ পাকপুর আইআরজিসি-এর পদাতিক বাহিনীর প্রধান হিসেবে দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং সীমান্ত সুরক্ষায় মূল নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। একই হামলায় সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টা এবং প্রধান সামরিক কমান্ডারের মৃত্যু ইরানের প্রতিরক্ষা ও রাজনৈতিক কাঠামোর জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, খামেনির মৃত্যুর খবরের পরপরই শামখানি ও পাকপুরের মতো শীর্ষ ব্যক্তিদের হারানো তেহরানের জন্য একটি বিশাল সামরিক ও কৌশলগত ধাক্কা। এই হত্যাকাণ্ডের ফলে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে নতুন করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) ইতিমধ্যে এই হামলার কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই ঘটনার পর ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সরাসরি ও পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরুর ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে গেল। বর্তমানে তেহরানের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
এম.এম/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ