ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
পৃথিবীতে ন্যায় ও অন্যায়ের দ্বন্দ্বে সবসময় সত্যই বিজয়ী হয়—এটি মহান আল্লাহর এক শাশ্বত বিধান। পবিত্র কোরআনের সূরা আম্বিয়ার ১৮ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন যে, তিনি সত্যকে মিথ্যার ওপর নিক্ষেপ করেন, যা মিথ্যাকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেয়।
আয়াতের মূল বক্তব্য: আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, "বরং আমরা সত্যকে মিথ্যার ওপর নিক্ষেপ করি, ফলে সত্য মিথ্যাকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেয়, আর মিথ্যা নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।" এই আয়াতে 'দমগ' (دمغ) শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে, যার অর্থ এমন শক্তিশালী আঘাত যা সরাসরি মগজে গিয়ে পৌঁছায়। অর্থাৎ, সত্যের আঘাত মিথ্যার অস্তিত্বকে সমূলে বিনাশ করে দেয়।
সৃষ্টির উদ্দেশ্য ও ভ্রান্ত ধারণা খণ্ডন: মুশরিকরা মনে করত পৃথিবী সৃষ্টি করা হয়েছে উদ্দেশ্যহীনভাবে বা স্রেফ খেলার ছলে। তারা আল্লাহর ওপর নানা মিথ্যা অপবাদ আরোপ করত। আল্লাহ তাআলা এই আয়াতের মাধ্যমে তাদের সেই কু-ধারণার মূলে আঘাত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, মহাবিশ্ব সৃষ্টির পেছনে সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য রয়েছে এবং এখানে সত্য ও ন্যায়কে প্রতিষ্ঠিত করাই তাঁর অভিপ্রায়।
আয়াত থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা:
সত্যের স্থায়িত্ব: মিথ্যা সাময়িকভাবে শক্তিশালী মনে হলেও সময়ের ব্যবধানে সত্যই টিকে থাকে।
মিথ্যার ভঙ্গুরতা: মিথ্যার ভিত্তি অত্যন্ত দুর্বল; সত্যের সামান্য আলোতেই তা নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।
ব্যক্তিগত দায়িত্ব: শুধু নিজে সত্য জানা নয়, বরং সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করা এবং অপপ্রচার ও গুজব থেকে দূরে থাকা একজন সচেতন মানুষের বৈশিষ্ট্য।
পরিণতি: যারা মিথ্যা তথ্য বা অপবাদ ছড়ায়, দুনিয়া ও আখিরাতে তাদের জন্য ধ্বংস অনিবার্য।
জান্নাত/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ