ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
জেলাগুলো হলো— নদীয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি ও পূর্ব বর্ধমান। ভোটকে ঘিরে বাংলাদেশ সীমান্তে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। প্রতিটি বুথ ও স্পর্শকাতর এলাকায় বিপুলসংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
এদিকে দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণের আগের দিন গতকাল ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছেন প্রায় দেড় হাজার ভোটার। ভারতের শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনে নির্বাচনের ২৪ ঘণ্টা আগে ১ হাজার ৪৬৮ জন ভোটারের অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনি কর্মকর্তা মনোজ কুমার আগরওয়াল জানান, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী তারা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের শেষ দফায় মোট ১ হাজার ৪৪৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যার মধ্যে ২২০ জন নারী প্রার্থী। উল্লেখযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীসহ একাধিক হেভিওয়েট নেতা।
মোট বুথের সংখ্যা ৪১ হাজার ১টি। এর মধ্যে প্রধান বুথ ৩৯ হাজার ৩০১ এবং সহায়ক বুথ প্রায় ১ হাজার ৭০০টি। পাশাপাশি থাকছে ২৯৮টি মডেল ভোটগ্রহণ কেন্দ্র এবং বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য ১৩টি বিশেষ কেন্দ্র। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে প্রতিটি কেন্দ্রে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি ৩৮ হাজার ২৯৭ জন রাজ্য পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। এছাড়া ১৪২ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক ও ৯৫ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক দায়িত্ব পালন করছেন। সাময়িকভাবে সিল করে দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত।
উল্লেখ্য, প্রথম দফার ভোট ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে রেকর্ড ৯৩.১৯ শতাংশ ভোট পড়েছিল। ভোট গণনা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৪ মে।
আই.এ/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ