ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: জ্বালানি খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ১৩ দফা দাবি জানিয়েছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) যুব সংসদ। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাজধানীর সিরডাপের এটিএম শামসুল হক মিলনায়তনে এক গোলটেবিল আলোচনায় এই ১৩ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়।
ক্যাবের উল্লেখযোগ্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— বিদ্যুৎ ও প্রাথমিক জ্বালানি খাতকে বাণিজ্যিক খাত থেকে পুনরায় সেবাখাত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা এবং সরকারি সেবা মুনাফামুক্ত করে সরবরাহ ব্যয় ‘কস্ট ভিত্তিক’ নিশ্চিত করা। জ্বালানি দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে আগামী ৫ বছরে জীবাশ্ম জ্বালানি আমদানি কমপক্ষে ৫ শতাংশ কমানো এবং সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি নিশ্চিত করা। এছাড়া এলএনজি আমদানি বৃদ্ধি ৫ বছরের জন্য রহিত করা এবং কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা বৃদ্ধি নিষিদ্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে।
অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে— গ্যাস উন্নয়ন তহবিলের অর্থে গণশুনানির ভিত্তিতে দেশীয় কোম্পানি দ্বারা শতভাগ গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলন নিশ্চিত করা; আদানির সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি বাতিল করা এবং ‘স্পিডি অ্যাক্ট ২০১০’ এর আওতায় সম্পাদিত চুক্তির কারণে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ সংশ্লিষ্টদের নিকট থেকে আদায় করা। একই সঙ্গে জ্বালানি খাতের দুর্নীতিতে জড়িতদের ‘জ্বালানি অপরাধী’ হিসেবে বিচার নিশ্চিত করার জোর দাবি জানানো হয়েছে।
ক্যাব আরও দাবি করেছে, এলপিজির বাজার ওলিগোপলি থেকে মুক্ত করতে ‘লোয়াব’-এর কর্তৃত্ব রদ করা এবং সরকারি মালিকানায় ৫০ শতাংশ আমদানি ও স্টোরেজ ক্ষমতা নিশ্চিত করা। বিইআরসির জবাবদিহি নিশ্চিত করতে আইনের প্রয়োজনীয় সংশোধনী এবং ক্যাব প্রস্তাবিত ‘জ্বালানি রূপান্তর নীতি ২০২৪’ এর আলোকে গণবান্ধব জ্বালানি রূপান্তর নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। সবশেষে আন্তর্জাতিক জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবসা সুরক্ষায় প্রণীত ‘জ্বালানি সনদ চুক্তি ১৯৯২’ স্বাক্ষরে সরকারকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছে সংগঠনটি।
আই.এ/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ