ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে সুশীল সমাজের চারটি সংগঠন। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর গুলশানের ওয়েস্টিন হোটেলে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তারা এ প্রতিক্রিয়া তুলে ধরে।
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়ে কাজ করা সংগঠন বি-স্ক্যানের সাধারণ সম্পাদক ও নির্বাহী পরিচালক সালমা মাহবুব বলেন, প্রতিবন্ধীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে তাদের পর্যবেক্ষকরা বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। অনেক কেন্দ্রে প্রতিবন্ধীবান্ধব পরিবেশ ছিল না এবং র্যাম্পের ব্যবস্থা অনুপস্থিত ছিল। নির্বাচন কমিশন সহায়তার নির্দেশনা দিলেও লিখিত নির্দেশনা সব কেন্দ্রে পৌঁছেনি বলে জানান তিনি। ভবিষ্যতে প্রতিবন্ধীদের জন্য পোস্টাল ব্যালট চালু এবং আরপিওতে তাদের অন্তর্ভুক্তির সুপারিশ করেন তিনি।
সংখ্যালঘু সম্প্রদায় নিয়ে কাজ করা সংগঠন রূপসার প্রতিনিধি শেখ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, খুলনা অঞ্চলে তারা পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। ভোটের আগে সংখ্যালঘুরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগলেও ভোটের দিন পরিবেশ ছিল শান্তিপূর্ণ। সময়মতো ভোটগ্রহণ শুরু ও শেষ হয়েছে। তারা ৫০৯টি কেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং পুরো সময়জুড়ে পর্যবেক্ষণের সুযোগ দেওয়ার সুপারিশ করেছেন।
নারী অধিকার বিষয়ক সংগঠন আরশি ট্রাস্টের নাফিসা রায়হানা বলেন, নির্বাচনের আগে ১০ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত নারীদের প্রতি সহিংসতা বেড়েছে এবং নারী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে অনলাইনে সংঘবদ্ধ হয়রানি হয়েছে। ৮৫ জন নারী প্রার্থী অংশ নিলেও মাত্র ৭ জন বিজয়ী হয়েছেন। অনলাইন সহিংসতা প্রতিরোধে আইনি উদ্যোগের সুপারিশ করেন তিনি।
অধিকারের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর কোরবান আলী বলেন, নির্বাচন প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণ হলেও নির্বাচনের পর সহিংসতা বেড়েছে। প্রক্রিয়াগত স্বচ্ছতা ছিল, তবে সহিংসতা উদ্বেগজনক। সামগ্রিকভাবে তারা নির্বাচনের বিষয়ে ‘মিশ্র প্রতিক্রিয়া’ ব্যক্ত করেন।
আই.এ/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ