ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
ধর্ম ডেস্ক: ইসলামি শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, সামর্থ্যবান মুসলিমের ওপর হজ পালন করা ফরজ। তবে নারীদের ক্ষেত্রে হজ ফরজ হওয়ার জন্য অন্যান্য শর্তের পাশাপাশি 'মাহরাম' (যাদের সাথে বিয়ে হারাম) থাকা আবশ্যক। মাহরাম ছাড়া কোনো নারীর জন্য হজের সফরে বের হওয়া জায়েজ নয়।
মাহরাম না থাকলে যা করতে হবে: কারো ওপর হজ ফরজ হয়েছে কিন্তু মাহরাম নেই, এমন পরিস্থিতিতে করণীয় সম্পর্কে শরিয়তের নির্দেশনা হলো:
অপেক্ষা করা: যতক্ষণ পর্যন্ত স্বামী বা কোনো মাহরাম পুরুষের ব্যবস্থা না হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত তাকে অপেক্ষা করতে হবে। মাহরাম ছাড়া অন্য মহিলাদের সাথে দলেও হজে যাওয়া ইসলামি ফিকাহ শাস্ত্র অনুযায়ী সঠিক নয়।
বদলিল হজের ব্যবস্থা: যদি মাহরামের ব্যবস্থা না হয় এবং অপেক্ষা করতে করতে এমন বার্ধক্য বা অসুস্থতা চলে আসে যে নিজে হজ করার শক্তি হারিয়ে ফেলেন, তবে তার পক্ষ থেকে অন্য কাউকে দিয়ে 'বদলি হজ' করিয়ে নিতে হবে।
অসিয়ত করে যাওয়া: যদি জীবদ্দশায় বদলি হজের সুযোগ না হয়, তবে মৃত্যুর আগে অসিয়ত করে যেতে হবে যাতে তার সম্পদ থেকে উত্তরাধিকারীরা তার পক্ষ থেকে বদলি হজের ব্যবস্থা করে।
হাদিসের নির্দেশনা: রাসুলুল্লাহ (সা.) স্পষ্টভাবে ইরশাদ করেছেন, "কোনো নারী মাহরাম ছাড়া সফর করবে না।" এমনকি জনৈক সাহাবিকে তার স্ত্রীর সাথে হজে যাওয়ার জন্য জিহাদের সফর বাদ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন নবীজি (সা.)। (বোখারি ও মুসলিম)। বিখ্যাত ফকিহগণের মতে, মাহরামের ব্যবস্থা হওয়া নারীদের হজের সামর্থ্যেরই (আলে ইমরান: ৯৭) একটি অংশ।
মাহরাম কারা? শরিয়ত অনুযায়ী যাদের সাথে কোনো নারীর বিবাহ চিরস্থায়ীভাবে হারাম, তারাই মাহরাম। যেমন: ১. পিতা, দাদা, নানা। ২. ছেলে ও নাতি। ৩. আপন, বৈপিত্রেয় ও বৈমাত্রেয় ভাই। ৪. মামা ও চাচা। ৫. ভাতিজা ও ভাগিনা।
জান্নাত/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ