ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
জলিলুর রহমান জনি, সিরাজগঞ্জ : দেশে জ্বালানি তেলের কোনো ঘাটতি নেই, তবে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ও গুজবকে কেন্দ্র করে বাড়তি চাহিদা ও কালোবাজারির কারণে সাময়িক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
শুক্রবার (২৭ মার্চ ) দুপুরে সিরাজগঞ্জের সয়দাবাদ এলাকায় নবনির্মিত ‘৬৮ মেগাওয়াট সোলার পার্ক’ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, "বিদ্যুৎ খাতে সরকারের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও গুরুত্বপুর্ণ খাত হলো নবায়নযোগ্য জ্বালানি (রিনিউবল এনার্জি)। সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর চরে প্রচুর পরিমাণ খালি জমি রয়েছে। এই খালি জমিগুলোকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে এখানে প্রায় সাড়ে তিনশো মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি।" তিনি আরও যোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লক্ষ্য হলো দেশের কোনো জমি যেন অনাবাদি না থাকে এবং প্রতিটি জমি থেকে উৎপাদন নিশ্চিত করা।
সাম্প্রতিক জ্বালানি তেলের বাজার নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন:
ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারে অস্থিরতার শঙ্কায় সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল মজুদ করার চেষ্টা করছে।
আগে একটি পেট্রোল পাম্পে যে পরিমাণ তেল সারা দিনে বিক্রি হতো, এখন তা মাত্র ২-৩ ঘণ্টায় শেষ হয়ে যাচ্ছে। পাম্পের স্বাভাবিক ধারণক্ষমতার চেয়ে চাহিদা বহুগুণ বেড়ে যাওয়ায় কিছু স্থানে সাময়িক শূন্যতা দেখা দিচ্ছে।
তেল সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও কিছু অসাধু চক্র একে কেন্দ্র করে কালোবাজারি করছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে ইতোমধ্যে এ ধরনের অপরাধ ধরা পড়ছে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপারদের (এসপি) কড়া নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে মন্ত্রী সোলার পার্কের বিভিন্ন প্রযুক্তিগত দিক ঘুরে দেখেন এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী হাসিবুল হাসান, সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. শাহ আলম, সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম এবং প্রকল্প পরিচালক তানবীর রহমানসহ সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
এন.এ/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ