ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বাড়ছে সহিংসতার ঘটনা। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) কিশোরগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ ও বরিশালে পৃথক তিনটি নির্বাচনি সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় অন্তত ৪২ জন আহত হয়েছেন। প্রতিনিধিদের পাঠানো প্রতিবেদন নিচে তুলে ধরা হলো:
কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে বিএনপির নির্বাচনি জনসভায় চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় অষ্টগ্রাম উপজেলার কাস্তুল ইউনিয়নের ভাতশালা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানের সমর্থনে আয়োজিত জনসভার শেষ পর্যায়ে কাস্তুল ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম কিসমতের নেতৃত্বে একটি মিছিল সভাস্থলে পৌঁছায়। এসময় ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সাদেক মিয়ার সমর্থকদের সাথে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে যুবদল নেতাকর্মীদের কথা কাটাকাটি হয়, যা একপর্যায়ে ব্যাপক সংঘর্ষে রূপ নেয়। অষ্টগ্রাম থানার ওসি সোয়েব খান জানান, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. মহিউদ্দিনের সমর্থকদের মিছিলে হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার বিকেল পৌনে ৫টায় গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে থেকে শুরু হওয়া মিছিলে সোনালী মার্কেট এলাকায় পৌঁছালে ২০-২৫ জন দুর্বৃত্ত লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়। এতে মহিউদ্দিনের অন্তত ৭ জন সমর্থক আহত হন।
আহতদের নিজের সমর্থক দাবি করে মহিউদ্দিন এই ঘটনার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কামরুজ্জামান রতনের সমর্থকদের দায়ী করেছেন। তবে কামরুজ্জামান রতন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “যারা এই কাজ করেছে তারা গর্হিত কাজ করেছে, এর দায়ভার আমি বা আমার দল নেবে না।” গজারিয়া থানার ওসি মো. হাসান আলী জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনের ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপির বহিষ্কৃত সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবাহানের গণসংযোগে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার দুপুরে গৌরনদী উপজেলার শরিকল হাটে এই ঘটনায় ৫ জন আহত হয়েছেন।
ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবাহানের অভিযোগ, ধানের শীষের প্রার্থী এম জহিরউদ্দিন স্বপনের সমর্থক ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কামাল হোসেন বিপ্লবের নেতৃত্বে একদল কর্মী তার গণসংযোগে বাধা দেয় এবং তার কর্মীদের মারধর করে। তবে কামাল হোসেন বিপ্লব এই অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা দাবি করেন যে, স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীরা তারেক রহমানের নাম ব্যবহার করে লিফলেট বিলি করায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সাথে হাতাহাতি হয়েছে। গৌরনদী থানা প্রশাসন ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ