বিজয়ের পর অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানের ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’ বার্তা

বিজয়ের পর অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানের ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’ বার্তা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রোকন রেজা শেখকে পরাজিত করে বড় জয় পেয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান। বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হওয়ার পর তাঁর ফেসবুক স্ট্যাটাসগুলো এখন রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বিজয় নিশ্চিত হওয়ার পর অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান তাঁর ফেসবুক প্রোফাইলে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে প্রাধান্য দিয়ে লেখেন, ‘স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা, বঙ্গবন্ধু। স্বাধীন বাংলার অস্তিত্ব।’ আরেকটি পোস্টে তিনি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে নিজের অবস্থান ব্যক্ত করে লেখেন, ‘সমস্ত রাজাকার ও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে নির্বাচনি বিজয় নিশ্চিত করে প্রথম প্রহরের ফজরের নামাজের পর মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জ্ঞাপন করেছি। এ বিজয় ব্যক্তির নয়—এটি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্বাধীনতার পক্ষে জনতার স্পষ্ট রায়।’

দেশ-বিদেশের অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি আরও লেখেন, টানা দায়িত্ব ও চাপের কারণে সবার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ, সংসদে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে এক অটল প্রদীপ জ্বলবে—আপনাদের মর্যাদা, আস্থা ও ত্যাগকে কখনোই ক্ষুণ্ণ হতে দেব না।’

বিশাল এই জয়ের মাঝেও একটি আইনি ঘটনায় আফসোস প্রকাশ করেছেন নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্য। একটি ভিডিও বার্তায় তিনি দাবি করেন, তাঁর এক কর্মীকে ‘বিনা অপরাধে’ দুই বছরের জেল দেওয়া হয়েছে। তিনি একে ‘কালো শক্তিকে খুশি করার প্রচেষ্টা’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “আমার জয়টা ম্লান হইছে দুইটা বাচ্চা ছেলে রেখে আমার কর্মীকে দুই বছরের জেল দিছে। ইনশাআল্লাহ আমি আইনি লড়াই চালিয়ে যাবো।”

দীর্ঘদিন ধরে হাওর অঞ্চলের মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানের এই জয়কে তাঁর সমর্থকরা গণতন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পুনর্জাগরণ হিসেবে দেখছেন।


বিভি/এসজি

মন্তব্য করুন