ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
রোজা আল্লাহর নৈকট্য লাভের অন্যতম মাধ্যম। রোজার প্রতিদানের ব্যাপারে মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘রোজা আমার জন্য এবং আমিই তার প্রতিদান দিই’। তবে রোজাদারের কিছু ভুলের কারণে সে আল্লাহর নৈকট্য থেকে বঞ্চিত হতে পারে। আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য রোজাদারের উচিত তার রোজার ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করা এবং অনর্থক কথা ও কাজ, পরনিন্দা, মানুষের দোষ প্রচার ইত্যাদি থেকে দূরে থাকা।
আল্লাহর প্রিয় বান্দারা বলেন, কেবল বৈধ চাহিদা পরিত্যাগ করাই যথেষ্ট নয়, বরং মিথ্যা বলা, খিয়ানত, প্রতারণা, জুলুম, অপবাদ ও মানুষের জান-মাল নষ্ট করার মতো হারাম কাজগুলোও ত্যাগ করতে হবে। নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা ও কাজ ত্যাগ করেনি, তার পানাহার ত্যাগের আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ১৮০৪)। অন্য হাদিসে বলা হয়েছে, রোজা কেবল পানাহার ত্যাগ নয়, বরং অনর্থক ও অশ্লীলতা পরিহারের নাম।
হারাম কাজে লিপ্ত থেকে হালাল ত্যাগের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য প্রত্যাশা করা সেই ব্যক্তির মতো, যে ফরজ ত্যাগ করে নফলের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য খোঁজে। মহানবী (সা.)-এর যুগে দুজন নারী রোজা রেখে মানুষের গিবত বা পরনিন্দা করার ফলে তাদের রোজার পবিত্রতা নষ্ট হওয়ার একটি শিক্ষণীয় ঘটনা বর্ণিত হয়েছে, যেখানে তারা রক্ত ও তাজা গোশত বমি করেছিল।
সুতরাং রোজাদারের জন্য আবশ্যক হলো জিহ্বা, কান, চোখ ও মনকে হারাম থেকে রক্ষা করা। কেবল তখনই রোজা আল্লাহর নৈকট্য লাভের মাধ্যম হবে, নতুবা এটি পরকালে আক্ষেপের কারণ হতে পারে। আল্লাহ সবাইকে যথাযথভাবে রোজা রাখার তাওফিক দিন। আমিন।
আই.এ/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ