ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
পাহাড়, ঝরনা আর সমুদ্রসৈকতের মিতালী দেখতে চাইলে চট্টগ্রামের মীরসরাই হতে পারে আপনার সেরা গন্তব্য। প্রকৃতি যেন এখানে নিজ হাতে সাজিয়েছে এক অনন্য প্রদর্শনীকেন্দ্র। একদিকে সুউচ্চ পাহাড়ী বনাঞ্চল, অন্যদিকে বঙ্গোপসাগরের নীল জলরাশি—এই দুইয়ের মাঝে মীরসরাই যেন পর্যটকদের জন্য এক স্বপ্নভূমি।
মীরসরাইয়ের ভৌগোলিক অবস্থান অত্যন্ত চমৎকার। উত্তরের মুহুরী নদী থেকে শুরু করে দক্ষিণে সাগরের বিস্তীর্ণ উপকূল পর্যন্ত ছড়িয়ে আছে এর রূপ। পাহাড় বেয়ে নেমে আসা ঝরনার সুর, গহীন বনের নির্জনতা আর পাখির কলতান পর্যটকদের দেয় অনাবিল প্রশান্তি। বনের পথে হাঁটতে হাঁটতে কখনো দেখা মিলতে পারে হরিণ বা বনমোরগের।
মহামায়া লেক: দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কৃত্রিম হ্রদ, যেখানে নৌভ্রমণ ও কায়াকিংয়ের সুযোগ রয়েছে।
ঝরনার স্বর্গরাজ্য: খৈয়াছড়া, নাপিত্তাছড়া, সোনাইছড়ি ও মেলখুমের মতো অসংখ্য মনোমুগ্ধকর ঝরনা রোমাঞ্চপ্রিয়দের প্রথম পছন্দ।
সমুদ্রসৈকত: শিল্পনগর ও ডোমখালী সমুদ্রসৈকতে বসে উপভোগ করা যায় মোহনীয় সূর্যাস্ত।
মুহুরী প্রজেক্ট: মুহুরী সেচ প্রকল্প ও চরাঞ্চল যেখানে শীতকালে অতিথি পাখিদের মেলা বসে।
বিনোদন কেন্দ্র: আরশিনগর ফিউচার পার্ক, হিলসডেল মাল্টি ফার্ম ও মধুরিমা রিসোর্ট পরিবার নিয়ে ভ্রমণের জন্য আদর্শ।
বর্ষাকালে ঝরনাগুলো পূর্ণ যৌবন ফিরে পেলেও ট্রেকিং করা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। তাই নিরাপদ ভ্রমণ ও পাহাড়ী ট্রেইলে হাঁটার জন্য শীতকালই সবচেয়ে উপযোগী সময়। সকালে পাহাড় ও ঝরনার রোমাঞ্চ সেরে বিকেলে সাগরের পাড়ে সূর্যাস্ত দেখে দিনটি স্মরণীয় করে রাখা যায়।
পাহাড়, হ্রদ আর সাগরের এমন মেলবন্ধন খুব কম জায়গাতেই চোখে পড়ে। তাই শীতের এই ছুটিতে যান্ত্রিকতা থেকে দূরে প্রকৃতির খুব কাছে যেতে চাইলে মীরসরাইকে আপনার ভ্রমণ তালিকায় শীর্ষে রাখতে পারেন।
জান্নাত/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ