ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
বৈশাখের তপ্ত দুপুরে খাঁ খাঁ রোদ আর ভ্যাপসা গরমে যখন নাভিশ্বাস ওঠার দশা, তখন এক গ্লাস ঠান্ডা বেলের শরবত হতে পারে আপনার পরম বন্ধু। কৃত্রিম পানীয়র ভিড়ে প্রাকৃতিক এই শরবত কেবল তৃষ্ণাই মেটায় না, বরং শরীরকে ভেতর থেকে শীতল রাখতে এবং কর্মচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনতে জাদুর মতো কাজ করে।
উপকরণ:
পাকা বেল: ১টি (বড়)
ঠান্ডা পানি: ২-৩ গ্লাস
চিনি বা গুড়: স্বাদমতো
বিট লবণ ও সাধারণ লবণ: সামান্য
লেবুর রস: ১ টেবিল চামচ
বরফ কুচি: প্রয়োজনমতো
প্রস্তুত প্রণালী: ১. বেল ভেঙে চামচ দিয়ে ভেতরের নরম অংশ একটি পাত্রে বের করে নিন। ২. পরিমাণমতো পানি মিশিয়ে হাত দিয়ে ভালো করে চটকে নিয়ে একটি ছাঁকনি দিয়ে আঁশ ও বিচি আলাদা করে নিন। ৩. প্রাপ্ত ঘন রসের সাথে চিনি, লবণ, বিট লবণ ও লেবুর রস মিশিয়ে নিন। ৪. গ্লাসে ঢেলে বরফ কুচি ছড়িয়ে পরিবেশন করুন চমৎকার বেলের শরবত।
হজমের মহৌষধ: কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এবং পেট পরিষ্কার রাখতে বেলের কোনো বিকল্প নেই। নিয়মিত এটি খেলে আমাশয় ও ডায়রিয়ার ঝুঁকি কমে।
প্রাকৃতিক শক্তি: বেলে থাকা ভিটামিন সি ও খনিজ উপাদান মুহূর্তেই শরীরের ক্লান্তি দূর করে প্রাকৃতিক এনার্জি ড্রিংক হিসেবে কাজ করে।
ত্বকের সুরক্ষা: রক্ত থেকে টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে বলে এটি ব্রণের সমস্যা কমায় এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
পুষ্টির ভাণ্ডার: এতে প্রচুর ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম এবং ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স রয়েছে যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে।
সতর্কতা: ডায়াবেটিস রোগীরা চিনি বা গুড় এড়িয়ে বেলের নিজস্ব মিষ্টি রসটুকু পান করতে পারেন। তবে যেকোনো পরিবর্তনের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া বাঞ্ছনীয়। এই গরমে কৃত্রিম পানীয় ছেড়ে প্রকৃতির এই ‘মাল্টিভিটামিন’ পানীয়তে খুঁজে নিন প্রশান্তি।
জান্নাত/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ