ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
মামুন চৌধুরী, রাজারহাট (কুড়িগ্রাম): অনুকূল আবহাওয়া আর কৃষি বিভাগের নিবিড় তদারকিতে কুড়িগ্রামের রাজারহাটে পেঁয়াজ বীজ চাষে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। মাঠজুড়ে দোল খাওয়া পেঁয়াজ ফুলের সমারোহ এখন প্রান্তিক কৃষকদের চোখেমুখে আশার আলো দেখাচ্ছে। অধিক লাভজনক হওয়ায় স্থানীয় কৃষকদের কাছে এই ফসল এখন ‘কালো সোনা’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
উপজেলার রাজারহাট সদর ইউনিয়নের ছাটমাধাই এলাকা ঘুরে দেখা গেছে বিস্তীর্ণ জমিতে পেঁয়াজ বীজের আবাদ। গাছে গাছে ভরপুর সাদা ফুলে ভরে আছে মাঠ। কৃষকরা এখন নিবিড় পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। আবহাওয়া এখন পর্যন্ত অনুকূলে থাকায় বীজের গুণমান ও ফলন—উভয়ই ভালো হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয় চাষি রাসেল জানান, “এবার আবহাওয়া ভালো থাকায় গাছে অনেক ফুল এসেছে। পোকা-মাকড়ের উপদ্রবও কম। শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া এমন থাকলে বীজের ভালো ফলন পাব এবং বাজারে ভালো দাম পেলে আমাদের অভাব দূর হবে।” অনেক ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষি এবারই প্রথম এই চাষে যুক্ত হয়ে বড় ধরনের লাভের স্বপ্ন দেখছেন।
রাজারহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাইফুন্নাহার সাথী বলেন, “আমরা কৃষকদের উন্নত জাতের বীজ ব্যবহারে উৎসাহিত করেছি এবং মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছি। উন্নত চাষাবাদ পদ্ধতি ও সঠিক তদারকির ফলে এবার রাজারহাটে পেঁয়াজ বীজের বাম্পার ফলন হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।”
স্থানীয়দের মতে, পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনকে কেন্দ্র করে রাজারহাটে এক নতুন উদ্যোক্তা গোষ্ঠী তৈরি হচ্ছে। ধান বা অন্যান্য ফসলের তুলনায় কম সময়ে বেশি মুনাফা পাওয়ায় এলাকার কৃষি অর্থনীতিতে এই চাষ ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ.আই.এল/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ