ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: ঢাকা-১ (নবাবগঞ্জ-দোহার) আসনের নবাবগঞ্জে নির্বাচনী প্রচারণায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে নিয়ে উস্কানিমূলক ও আপত্তিকর বক্তব্য দেওয়ায় যন্ত্রাইল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সেন্টু মোল্লাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক খন্দকার আরশীন মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
ঘটনার সূত্রপাত হয় গত শুক্রবার, যখন নবাবগঞ্জের যন্ত্রাইল ইউনিয়নের হরিশকুলে বিএনপির একটি নির্বাচনী ক্যাম্প উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন সেন্টু মোল্লা। সেখানে তিনি উপস্থিত ভোটারদের উদ্দেশ্য করে বলেন, “হিন্দু ভাই-বোনেরা ধানের শীষে ভোট দিবেন। আপনাদের জন্য আলাদা বাক্স থাকবে। কে ভোট দিলো না, তা আমরা বুঝতে পারব।” তার এই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক মহলে তীব্র সমালোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি দলীয় হাইকমান্ডের নজরে এলে তাৎক্ষণিকভাবে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবুল কালাম এ বিষয়ে জানান, সেন্টু মোল্লার দেওয়া বক্তব্য সম্পূর্ণভাবে দলীয় নীতি, আদর্শ ও গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী। বিএনপি সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকারে বিশ্বাসী এবং নির্বাচনে এ ধরনের উস্কানিমূলক বা ভীতিকর বক্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ফলে দলের ভাবমূর্তি রক্ষায় তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এদিকে বহিষ্কারের পর নিজের বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন সেন্টু মোল্লা। তিনি এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আমি ভুল করেছি। আবেগবশত মুখ ফসকে কথাটি বেরিয়ে গেছে। আমি সাধারণ ভোটার এবং বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই-বোনদের কাছে করজোড়ে ক্ষমা চাচ্ছি।” তবে ক্ষমা চাইলেও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে নেওয়া সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা বিএনপি।
এম.এম/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ