ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
এম এ রইচ, মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি: মাগুরার ঐতিহাসিক জনপদ মহম্মদপুর উপজেলা সদরের প্রধান বাজারে কোনো নির্দিষ্ট কসাইখানা না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ক্রেতা ও সাধারণ মানুষ। নির্দিষ্ট জায়গা না থাকায় মাংস ব্যবসায়ীরা রাস্তার পাশে বা যত্রতত্র পশু জবাই করছেন। এতে একদিকে যেমন পরিবেশ দূষিত হচ্ছে, অন্যদিকে তদারকি না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা রোগাক্রান্ত পশুর মাংস বিক্রির সুযোগ পাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
রাজা সীতারাম রায়ের রাজধানী হিসেবে খ্যাত মহম্মদপুর একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী এলাকা। ১৭৯৩ সালে এই জনপদকে জেলা করার প্রস্তাবও উঠেছিল। বর্তমানে মধুমতী নদীর ওপর ব্রিজ হওয়ায় এলাকাটি মাগুরা, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়ার পণ্যবাহী যানবাহনের গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক করিডোরে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন বহু পর্যটক এখানে আসেন ঐতিহাসিক স্থানগুলো দেখতে। কিন্তু গুরুত্ব বাড়লেও বাড়েনি নাগরিক সুবিধা।
বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলী জানান, কসাইখানার জন্য বিগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে আবেদন করেও কোনো সুরাহা মেলেনি। উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান বলেন, বাজারে একটি আধুনিক কসাইখানা এখন সময়ের দাবি। অন্যদিকে উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মৈমুর আলী মৃধা প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, "আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ জয়ী হলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আমরা বাজারে কসাইখানা স্থাপন করব।"
এ বিষয়ে বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহানুর জামান বলেন, "আমি এখানে নতুন এসেছি। মহম্মদপুর বাজারে কসাইখানা না থাকাটা দুঃখজনক। এ বিষয়ে দ্রুত প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সাথে আলোচনা করে একটি নির্দিষ্ট জায়গা নির্ধারণ ও কসাইখানা স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করব।"
যতদিন কসাইখানা নির্মিত না হচ্ছে, ততদিন যত্রতত্র পশু জবাই বন্ধ এবং ভেটেরিনারি সার্জনের মাধ্যমে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ক্রেতা সাধারণ।
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ