ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
মানজুরুল ইসলাম, লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাট-২ (কালীগঞ্জ-আদিতমারী) আসনকে ঘিরে জমে উঠেছে নির্বাচনী লড়াই। প্রতীক পাওয়ার পর থেকে প্রার্থীরা কোমর বেঁধে মাঠে নেমে পড়েছেন। মাইকিং, মিছিল, গণসংযোগ আর ব্যানার-ফেস্টুনে পুরো নির্বাচনী এলাকা এখন উৎসবমুখর। বিশেষ করে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও নবগঠিত জনতার দলের প্রার্থীদের মধ্যে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রবল আভাস মিলছে।
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মাঠে রয়েছেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি রোকন উদ্দিন বাবুল। বিরামহীন গণসংযোগকালে তিনি ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, "জনগণের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার ও ন্যায়ের পক্ষে আমি লড়ছি। কালীগঞ্জ ও আদিতমারীর মানুষ এবার ধানের শীষের পক্ষেই রায় দেবেন বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।"
অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী জেলা সেক্রেটারি ও সাবেক আদিতমারী উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ফিরোজ হায়দার লাভলু দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে সক্রিয় প্রচার চালাচ্ছেন। তিনি ভোটারদের সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, "সৎ লোকের শাসন ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়। জনগণ আমাদের ওপর আস্থা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।"
এই দুই দলের বাইরে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন নতুন রাজনৈতিক দল জনতার দলের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শামীম কামাল। তিনি কলম প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নতুন চমক সৃষ্টি করেছেন। উন্নয়নের নতুন রূপরেখা নিয়ে তিনি দিনরাত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন।
স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও সুশাসন—এই বিষয়গুলোই এবার ভোটের প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে। সচেতন ভোটাররা বলছেন, তারা প্রার্থীর দলীয় পরিচয়ের চেয়ে ব্যক্তিগত যোগ্যতা ও সততাকে বেশি গুরুত্ব দেবেন। এদিকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। কালীগঞ্জ ও আদিতমারী উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শেষ পর্যন্ত কার গলায় বিজয়ের মালা ওঠে, সেদিকেই তাকিয়ে আছে সীমান্ত ঘেঁষা এই আসনের সাধারণ মানুষ।
এম.এম/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ