ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে নির্বাচনী লড়াই যত ঘনিয়ে আসছে, ততই রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে। এ অবস্থায় বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, নিশ্চিত পরাজয় আঁচ করতে পেরে ধানের শীষ মার্কার প্রার্থী মীর শাহে আলমের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে ষড়যন্ত্রে নেমেছে জামায়াত।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বগুড়া জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর আবু নছর মোঃ আলমগীর হোসাইন। অভিযোগে দাবি করা হয়, মীর শাহে আলম বর্তমানে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি)-এর পরিচালক পদে বহাল রয়েছেন। লাভজনক পদে থেকে তাঁর নির্বাচনে অংশগ্রহণ অবৈধ দাবি করে প্রার্থিতা বাতিলের আবেদন জানায় জামায়াত।
তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র ও আইনি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিসিক ও বিআরটিসির পরিচালক পদগুলো মূলত অলাভজনক পদ হিসেবে বিবেচিত। সংবিধানের ৬৬(৩) অনুচ্ছেদ ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (RPO) ১৯৭২-এর ধারা ১২(১)(গ) অনুযায়ী, যেসব পদ থেকে নিয়মিত বেতন-ভাতা বা আর্থিক সুবিধা নেওয়া হয় না, সেগুলো নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নয়। মীর শাহে আলমও দাবি করেছেন, এই পদগুলোতে তিনি কোনো সম্মানী বা বেতন পান না, তাই তথ্য গোপনের অভিযোগ ভিত্তিহীন।
এ বিষয়ে বগুড়া জেলা সিনিয়র নির্বাচন অফিসার মোঃ ফজলুল করিম বলেন, "আইন অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দের পর এখন আর প্রার্থিতা বাতিলের কোনো সুযোগ নেই। এছাড়া সংশ্লিষ্ট পদগুলো থেকে যেহেতু তিনি নিয়মিত বেতন-ভাতা পান না, তাই এগুলো অলাভজনক পদ হিসেবেই গণ্য হবে।"
শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল ওহাব এ প্রসঙ্গে বলেন, "মাঠে ধানের শীষের জোয়ার দেখে জামায়াত দিশেহারা হয়ে পড়েছে। নিশ্চিত পরাজয় বুঝতে পেরে তারা এখন আইনি মারপ্যাঁচে ভোটারদের বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু শিবগঞ্জের সচেতন মানুষ ব্যালটের মাধ্যমে এই ষড়যন্ত্রের উপযুক্ত জবাব দেবে।"
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ