ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
মাদারীপুর প্রতিনিধি: নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে মাদারীপুরে কর্মবিরতি, অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন স্বাস্থ্য বিভাগের ১০-২০ গ্রেডভুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের কেন্দ্র ঘোষিত ৩ দিনের (৩-৫ ফেব্রুয়ারি) আন্দোলনের অংশ হিসেবে মাদারীপুর সিভিল সার্জনের কার্যালয়, ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল ও সদর হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এতে যোগ দেন। এ সময় তাঁরা কর্মস্থল ত্যাগ করে হাসপাতাল চত্বরে অবস্থান নেন এবং বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে উপস্থিত ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট রনি ভৌমিক, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মো. শামীম হাসান, অফিস সহকারী মো. রিয়াজ আহমেদ ও সিনিয়র স্টাফ নার্স অর্চনা মহেন্দ্রসহ বক্তারা বলেন, ২০১৫ সালে অষ্টম পে-স্কেল ঘোষণার পর দীর্ঘ ১১ বছরেও নতুন কোনো কাঠামো না হওয়ায় বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে জীবনযাত্রার ব্যয় মেটানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে তাঁরা চরম আর্থিক সংকটে রয়েছেন।
বিক্ষোভকারীরা “পে-স্কেল, পে-স্কেল, দিতে হবে দিয়ে দাও”, “আমাদের দাবি, মানতে হবে”, এবং “অবিলম্বে প্রজ্ঞাপন জারি করো” ইত্যাদি স্লোগানে পুরো এলাকা মুখর করে তোলেন।
আন্দোলনকারীরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনের আগেই নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। দাবি আদায় না হলে আসন্ন ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি পরবর্তীতে দেশব্যাপী 'শাট ডাউন' বা আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ