ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
মো. আব্দুল কুদ্দুস, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের নির্বাচনী ময়দানে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন দুই নিকটাত্মীয়—মামা ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং ভাগ্নে ড. এম এ মুহিত। তারা দুজনেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনীত হয়ে নিজ নিজ আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়াই করছেন।
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সিরাজগঞ্জ-২ (সদর ও কামারখন্দ) আসন থেকে। অন্যদিকে, তাঁর ভাগ্নে এবং জেলা বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা ড. এম এ মুহিত লড়ছেন সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসনে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কয়েলগাঁতী গ্রামের সন্তান। তাঁর বাবা আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ছিলেন তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের শিল্পমন্ত্রী। অন্যদিকে, এম এ মুহিত শাহজাদপুর উপজেলার শ্রীফলতলা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি টুকুর বড় বোন ডা. তাছনিমা মতিন এবং সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত প্রফেসর ডা. এম এ মতিনের জ্যেষ্ঠ পুত্র।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এই আসন থেকে ১৯৮৬, ১৯৮৮ ও ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০১ সালে চারদলীয় জোট সরকারে তিনি বিদ্যুৎ ও পরে কৃষি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
অপরদিকে, ড. এম এ মুহিত ইতিপূর্বে শাহজাদপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি জেলা বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি প্রথমবার অংশগ্রহণ করলেও এবার জয়ের ব্যাপারে অত্যন্ত আশাবাদী।
সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, "সিরাজগঞ্জ ঐতিহাসিকভাবেই বিএনপির ঘাঁটি। ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং তাঁর ভাগ্নে এম এ মুহিত উভয়ই নিজ নিজ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি। ধানের শীষের পক্ষে যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, তাতে সিরাজগঞ্জের সবকটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা বিজয়ী হবেন।"
নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, মামা-ভাগ্নেকে ঘিরে শাহজাদপুর ও সদর এলাকার নেতাকর্মীদের মধ্যে উদ্দীপনা ততই বাড়ছে।
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ