ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
নাজিম উদ্দীন জনি, শার্শা (বেনাপোল) প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা উপজেলার উলাশী নেহা ফিলিং স্টেশনে তীব্র রোদ ও গরমে পেট্রোলের জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বাইকারদের মাঝে ঠান্ডা শরবত ও বিস্কুট বিতরণ করেছে ‘মেসার্স সুমি মটরস’।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে মোটরসাইকেল বিপণনকারী এই প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এমন মানবিক উদ্যোগ নেওয়া হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, নাভারন-সাতক্ষীরা সড়কের উলাশী খাজুরা এলাকায় ফিলিং স্টেশনের সামনে মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ লাইন। বৈশাখের প্রথম দিনের প্রচণ্ড তাপদাহে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন চালকরা। কেউ কেউ রাত থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও তেলের দেখা পাচ্ছেন না। এমন সীমাহীন কষ্টের মুহূর্তে সুমি মটরসের স্বত্বাধিকারী রেজাউল ইসলামের তত্ত্বাবধানে বাইকারদের হাতে ঠান্ডা শরবত ও বিস্কুট তুলে দেওয়া হয়।
লাইনে থাকা রাজু নামের এক চালক জানান, তিনি রাত ৩টা থেকে ৫০০ টাকা মূল্যের পেট্রোলের জন্য অপেক্ষা করছেন। দুপুর ১২টা বাজলেও তাঁর সামনে আরও অর্ধশতাধিক মোটরসাইকেল। প্রচণ্ড গরমে যখন হাঁপিয়ে উঠেছিলেন, তখন এই শরবত তাঁর তৃষ্ণা মিটিয়েছে। তিনি এই উদ্যোগের প্রশংসা করে প্রতিষ্ঠানের সাফল্য কামনা করেন।
সুমি মটরসের স্বত্বাধিকারী রেজাউল ইসলাম বলেন, "ব্যবসায়িক ব্যস্ততার মাঝে যাতায়াতকালে প্রায়ই দেখি চালকরা রোদে পুড়ে কষ্ট করছেন। যেহেতু আমি মোটরসাইকেল ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত, তাই সহমর্মিতা থেকে তেলের সংকট না কাটা পর্যন্ত বাইকারদের একটু প্রশান্তি দিতে এই সামান্য প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।"
এদিকে স্থানীয়দের দাবি, তেলের সংকটে উলাশী ফিলিং স্টেশনে নজিরবিহীন জটলার সৃষ্টি হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো তদারকি নেই। মাঝে মাঝে পাম্পে ২০০ থেকে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। প্রশাসনিক নজরদারি না থাকায় অনেক সময় চালকদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হচ্ছে এবং সংকট আরও বাড়ছে। কবে নাগাদ এই দুর্ভোগ কাটবে, সেই সুখবরের অপেক্ষায় আছেন ভুক্তভোগী চালকরা।
এ.আই.এল/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ