ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
স্পোর্টস ডেস্ক: বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে বড় এক ধাক্কা হয়ে এলো দেশসেরা ভারোত্তোলক মাবিয়া আক্তার সীমান্তের দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা। ডোপ পরীক্ষায় নিষিদ্ধ উপাদানের উপস্থিতি পাওয়ায় আন্তর্জাতিক ডোপবিরোধী সংস্থা (WADA) তাঁকে এই শাস্তি দিয়েছে। তবে এই নিষেধাজ্ঞার জন্য নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ডা. শফিকুর রহমানের ওপর দায় চাপিয়েছেন এসএ গেমসে দুবারের স্বর্ণজয়ী এই অ্যাথলেট।
২০২৫ সালের অক্টোবরে রিয়াদে অনুষ্ঠিত ইসলামিক সলিডারিটি গেমসের আগে মাবিয়ার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। দক্ষিণ কোরিয়ায় পরীক্ষার পর তাঁর শরীরে ‘ফুরোসেমাইন্ড’ ও ‘ক্যানরেনোন’ নামক নিষিদ্ধ উপাদানের অস্তিত্ব মিলেছে, যা মূলত শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের করতে ব্যবহৃত হয়। গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ) মাবিয়াকে নিষেধাজ্ঞার চিঠিটি হস্তান্তর করে।
মাবিয়ার দাবি, তাঁর পায়ের ব্যথার চিকিৎসার জন্য তিনি চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ সেবন করেছিলেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, "নমুনা সংগ্রহের দিন ডা. শফিক উপস্থিত ছিলেন। আমি তাঁকে প্রেসক্রিপশন এবং মেডিকেল ব্যাকগ্রাউন্ড দেখিয়েছিলাম, কিন্তু তিনি সঠিকভাবে পরীক্ষা না করেই নমুনা দিতে বলেন। এমনকি নমুনা সংগ্রহের সময় ফেডারেশনের কোনো অভিভাবকের স্বাক্ষরও নেওয়া হয়নি।" তিনি আরও ইঙ্গিত দেন যে, বিখ্যাত অ্যাথলেট হওয়ার কারণে কোনো একটি পক্ষ তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।
অন্যদিকে, ডা. শফিকুর রহমান মাবিয়ার সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর মতে, মাবিয়া আগে থেকে চিকিৎসকদের সেবনকৃত ওষুধের বিষয়ে কিছু জানাননি এবং পরীক্ষার সময়ও কোনো প্রেসক্রিপশন দেখাননি। এই অনাকাঙ্ক্ষিত নিষেধাজ্ঞার পর মাবিয়া উচ্চ আদালতে আপিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। উল্লেখ্য, এর আগে ক্রিকেটার শহিদুল ইসলাম ও কাজী অনিকও ডোপ টেস্টে পজিটিভ হয়েছিলেন।
জান্নাত/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ