ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
চাঁদপুর প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে প্রিয়জনদের সান্নিধ্য কাটিয়ে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন দেশের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ। শনিবার (৪ মে) সকাল থেকেই ঢাকা-চাঁদপুরসহ বিভিন্ন নৌপথে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। লঞ্চগুলোতে তিল ধারণের জায়গা নেই, এমন ভয়াবহ চিত্র দেখা গেছে অনেক লঞ্চে। অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে নিরাপত্তা ঝুঁকি দেখা দিয়েছে চরমভাবে।
সরেজমিনে চাঁদপুর লঞ্চঘাটে গিয়ে দেখা যায়, সকাল থেকেই যাত্রীদের চাপ ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভিড় আরও বাড়ে। দুপুরের দিকে দেখা যায়, দক্ষিণাঞ্চল থেকে আসা ঢাকাগামী বেশ কিছু লঞ্চে ছাদেও যাত্রী বহন করা হচ্ছে। এমতাবস্থায় যাত্রীদের নিরাপত্তা চরম ঝুঁকির মুখে পড়ছে।
যাত্রীদের অভিযোগ, লঞ্চ কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত মুনাফার আশায় লঞ্চে ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি যাত্রী বহন করছে। কেবিনের টিকিট নিয়েও চলছে কারসাজি। নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং টিকিট সংকট সৃষ্টি করে চড়া দামে বিক্রির অভিযোগও রয়েছে।
হিজলা মুলাদী থেকে আসা যাত্রী আবদুর রহমান বলেন, ‘আমাদের লঞ্চে ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি যাত্রী তোলা হয়েছে। লঞ্চে পা ফেলার জায়গা নেই। কিন্তু কাজের প্রয়োজনে ঢাকায় ফিরতেই হবে, তাই ঝুঁকি নিয়েই যাত্রা করছি।’
‘আবে জমজম’ লঞ্চের যাত্রী রহিমা বেগম বলেন, ‘লঞ্চে এত বেশি যাত্রী দেখে আমরা আতঙ্কিত। বসার কোনো জায়গা নেই, অথচ ঘাট থেকে একের পর এক যাত্রী তোলা হচ্ছে। এভাবে অতিরিক্ত যাত্রী বহনের কারণেই লঞ্চ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রশাসনের উচিত এ বিষয়ে কঠোর নজরদারি করা।’
একই লঞ্চের যাত্রী জাহিদ হাসান অভিযোগ করেন, ‘লঞ্চে উঠে কাউন্টারে গিয়ে টিকিট পাচ্ছি না। কিন্তু বাইরে ঠিকই বেশি দামে কেবিনের টিকিট বিক্রি হচ্ছে। জানলে হয়তো পরে যেতাম।’
এ বিষয়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-এর উপপরিচালক বাবুলাল বৈদ্য বলেন, ‘চাঁদপুর থেকে ঢাকাসহ বিভিন্ন নৌপথে নিয়মিত লঞ্চ চলাচল করছে। অতিরিক্ত যাত্রী বহন ও বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
আই.এ/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ