বেতাগীতে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের সংঘর্ষের খবরকে ‘অপপ্রচার’ দাবি

বেতাগীতে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের সংঘর্ষের খবরকে ‘অপপ্রচার’ দাবি

মোঃ সোহেল রানা, বেতাগী (বরগুনা): বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বেতাগী উপজেলা শাখার কার্যক্রম নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টায় উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি প্রভাষক মোঃ শাহাদাৎ হোসেন মুন্না। তিনি দাবি করেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটি মহল সুপরিকল্পিতভাবে দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে শাহাদাৎ হোসেন মুন্না বলেন, নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে আজ সকালে জামায়াতে ইসলামীর কর্মীরা বেতাগী বাজারে গণসংযোগ করেন। একই সময়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী ও স্বেচ্ছাসেবকরাও বাজারে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। প্রচার চলাকালে বেতাগী সরকারি কলেজের সামনে উভয় দলের কর্মীরা মুখোমুখি হলে সেখানে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। বরং একে অপরের প্রতি অত্যন্ত সৌজন্যমূলক ও নমনীয় আচরণ করেছেন এবং সালাম বিনিময়ের মাধ্যমে সম্মান প্রদর্শন করেছেন। পরবর্তীতে উভয় দলই নিজ নিজ গন্তব্যে তাদের স্বাভাবিক কর্মসূচি পালন করে।

উপজেলা সেক্রেটারি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিকেলে গণসংযোগ শেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যায়, কিছু দুষ্কৃতকারী জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নাম ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তারা ‘বেতাগীতে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের স্বেচ্ছাসেবীদের মধ্যে সংঘর্ষ’ শিরোনামে মিথ্যা তথ্য প্রচার করছে। জামায়াতের পক্ষ থেকে এই অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দুই দলের মধ্যে কোনো প্রকার ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া বা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি। একটি স্বার্থান্বেষী মহল কৃত্রিম অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে শাহাদাৎ হোসেন আরও জানান, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন স্থানে জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের ওপর প্রভাবশালী কিছু মহলের পক্ষ থেকে শারীরিক নির্যাতন ও হেনস্তার ঘটনা ঘটছে। এসব বিষয়ে সাংগঠনিকভাবে এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে ইতোমধ্যে অবগত করা হয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং সাধারণ মানুষকে এসব অপপ্রচারে কান না দেওয়ার আহ্বান জানান।

এস.আর/সকালবেলা

মন্তব্য করুন