ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
নরসিংদী প্রতিনিধি: জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শাপলা কলি প্রতীকের পক্ষে কাজ করার নির্দেশনা থাকলেও নরসিংদী-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতা-কর্মীরা তা মানছেন না বলে অভিযোগ করেছেন জোট মনোনীত প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মো. গোলাম সারোয়ার ওরফে সারোয়ার তুষার।
বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই ক্ষোভ ও অভিযোগ প্রকাশ করেন। তুষার জানান, জোটের নেতৃত্বে থাকা দল জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয়ভাবে শাপলা কলি প্রতীকে প্রচারণা চালানোর নির্দেশনা দিলেও মাঠ পর্যায়ে এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। বরং একদল লোক জামায়াতের নামে এখনো ওই আসনে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের পক্ষে গোপন মিছিল ও প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
জানা গেছে, গত ২৩ জানুয়ারি জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে নরসিংদী-২ আসনে ব্যালটে তাদের নিজস্ব প্রতীক দাঁড়িপাল্লা বাতিলের আবেদন জানানো হয়েছিল। একই সঙ্গে নেতা-কর্মীদেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল জোটসঙ্গী এনসিপির ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের পক্ষে কাজ করতে।
তবে কারিগরি ও আইনি জটিলতার কারণে নির্বাচন কমিশন ব্যালট থেকে প্রতীকটি বাদ দিতে পারেনি। সারোয়ার তুষার তার পোস্টে উল্লেখ করেন, অদ্ভুত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে কারণ জামায়াতের দায়িত্বশীলরা বলছেন তারা এই গোপন প্রচারণা সম্পর্কে অবগত নন, অথচ এলাকায় দাঁড়িপাল্লার পক্ষে কর্মকাণ্ড থেমে নেই। তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে, গত মঙ্গলবার জামায়াতে ইসলামীর আমীর স্বয়ং তাকে জোটের প্রার্থী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন এবং তার হাতে শাপলা কলি প্রতীক তুলে দিয়েছেন।
সারোয়ার তুষার আরও লিখেছেন, দলের পক্ষ থেকে সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার ব্যালটে দাঁড়িপাল্লা না রাখার জন্য ইসিতে চিঠি দেওয়ার পরও স্থানীয় স্তরে অনাকাঙ্ক্ষিত প্রচারণা অব্যাহত রয়েছে। তবে তিনি এখনো আশাবাদী যে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় সংগঠন কেন্দ্রের নির্দেশনা মেনে শেষ পর্যন্ত জোটের প্রার্থীর পক্ষেই অবস্থান নেবে। এই ঘটনায় এলাকায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় ভোটাররা বলছেন, বড় দুই শরিকের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব থাকলে নির্বাচনী ফলাফলে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় জামায়াত নেতাদের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এম.এন.এস/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ