ফ্রিজ যেন জীবাণুর আঁতুড়ঘর না হয়
দৈনন্দিন জীবনে খাবার সতেজ ও দীর্ঘক্ষণ ভালো রাখতে ফ্রিজের বিকল্প নেই। কিন্তু নিয়মিত পরিষ্কার না করলে এই প্রয়োজনীয় যন্ত্রটিই হয়ে উঠতে পারে রোগজীবাণুর নিরাপদ আশ্রয়স্থল। কাঁচা মাছ-মাংস, শাকসবজি এবং রান্না করা খাবারের সংমিশ্রণে ফ্রিজের ভেতরে জন্ম নিতে পারে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও দুর্গন্ধ। বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্য প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্রিজে খাবার রাখার পাশাপাশি এর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা সমান গুরুত্বপূর্ণ। কয়েকটি সহজ ধাপ অনুসরণ করলেই ফ্রিজকে রাখা যায় জীবাণুমুক্ত ও দুর্গন্ধহীন।
ফ্রিজ পরিষ্কারের প্রথম ধাপ হলো এটি পুরোপুরি খালি করা। ভেতরে থাকা সব খাবার বের করে নষ্ট বা মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যগুলো ফেলে দিতে হবে। এরপর হালকা কুসুম গরম পানির সাথে বাসন মাজার লিকুইড মিশিয়ে ফ্রিজের ভেতরের অংশ সুতি কাপড় দিয়ে মুছে নিতে হবে। জেদি দাগ দূর করতে বেকিং সোডার পেস্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। ফ্রিজের তাক ও ড্রয়ারগুলো আলাদা করে খুলে নিয়ে সাবান-পানিতে ধুয়ে ভালোভাবে শুকিয়ে নেওয়া জরুরি। এক্ষেত্রে অতিরিক্ত গরম পানি এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এতে প্লাস্টিকের ক্ষতি হতে পারে।
অনেকেই ফ্রিজের রাবার বা দরজার কোণগুলো পরিষ্কার করতে ভুলে যান, যেখানে সবচেয়ে বেশি ময়লা জমে। পুরোনো টুথব্রাশ বা ভিনেগার মিশ্রিত পানি দিয়ে এসব জায়গা পরিষ্কার করলে জীবাণুর ভয় কমে। পরিষ্কার করার পরপরই খাবার না রেখে কিছুক্ষণ ফ্রিজের দরজা খুলে রাখা ভালো, যাতে ভেতরের আর্দ্রতা পুরোপুরি শুকিয়ে যায়। মাসে অন্তত একবার ফ্রিজ গভীরভাবে পরিষ্কার করার অভ্যাস পরিবারের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমায় এবং খাবারের গুণগত মান বজায় রাখে।
জান্নাত/সকালবেলা
|