বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের নির্বাহী কমিটি পুনর্গঠন

প্রকাশ: শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০২:৩০ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের নির্বাহী কমিটি পুনর্গঠন
গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সামাজিক ও অর্থনৈতিক কল্যাণমূলক কার্যক্রমকে আরও ফলপ্রসূ, স্বচ্ছ ও গতিশীল করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের নির্বাহী কমিটি পুনর্গঠন করেছে সরকার।

নতুন গঠিত এই নির্বাহী কমিটির সভাপতি মনোনীত হয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। কমিটিতে সদস্য হিসেবে স্থান পেয়েছেন একজন প্রতিমন্ত্রী, চারজন সংসদ সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট একাধিক মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

সম্প্রতি এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞাপিত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ‘বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০১৮’-এর ১৩ ধারার বিধান ও ক্ষমতার আলোকে ট্রাস্টের নতুন এই নির্বাহী কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে।

নবগঠিত এই পরিষদ ট্রাস্টের নির্ধারিত আইন, প্রশাসনিক বিধিমালা ও ট্রাস্টি বোর্ডের অর্পিত যাবতীয় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ট্রাস্টের সার্বিক কার্যক্রম নিবিড়ভাবে তদারকি করবে। একই সঙ্গে ট্রাস্টের আওতাধীন সকল বাণিজ্যিক ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের আধুনিক উন্নয়ন রূপরেখা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি পর্যালোচনা, প্রাতিষ্ঠানিক হিসাব নিরীক্ষা নিশ্চিতকরণ, সমন্বিত ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং ট্রাস্টি বোর্ডের সব সিদ্ধান্তের সুচারু প্রয়োগের দায়িত্ব পালন করবে কমিটি।

পুনর্গঠিত এ কমিটিতে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. ফজলুর রহমান, কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী এবং নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুককে।

এছাড়া পদাধিকারবলে কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সচিব, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নবগঠিত কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে প্রশাসনিক দ্বায়িত্ব সম্পাদন করবেন।

প্রশাসনিক ও সামাজিক কল্যাণমূলক এই উদ্যোগের মাধ্যমে ট্রাস্টের মালিকানাধীন শিল্প-প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়ন সাধিত হবে এবং খেতাবপ্রাপ্ত ও অসচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের কল্যাণ নিশ্চিতকরণে আরও কার্যকর গতি আসবে বলে প্রত্যাশা প্রকাশ করেছে সরকার।

মন্তব্য করুন