ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
বর্তমান সময়ে কর্মব্যস্ত জীবন আর সারাক্ষণ চার দেয়ালের মাঝে থাকার অভ্যাসে আমাদের শরীরে পর্যাপ্ত সূর্যের আলো পৌঁছায় না। এর ফলে নিঃশব্দে শরীরে বাসা বাঁধে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি। অনেকে ক্লান্তি বা হাড়ের ব্যথাকে সাধারণ মনে করে এড়িয়ে যান, যা ভবিষ্যতে বড় সমস্যার কারণ হতে পারে।
ভিটামিন ডি-র ঘাটতি বোঝার লক্ষণসমূহ:
অব্যাহত ক্লান্তি: পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং রাতে ভালো ঘুমের পরেও যদি সারাদিন শরীর অবসন্ন বা ক্লান্ত লাগে, তবে তা ভিটামিন ডি-র অভাবের অন্যতম প্রধান লক্ষণ।
হাড় ও পেশিতে ব্যথা: কোনো চোট ছাড়াই নিয়মিত কোমর, উরু কিংবা হাড়ের সংযোগস্থলে (Joints) ব্যথা অনুভব করা এবং শরীর নাড়াচাড়া করতে কষ্ট হওয়া।
মানসিক স্বাস্থ্যের পরিবর্তন: হুটহাট মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া, কাজে মনোযোগ হারাতে থাকা কিংবা অকারণে বিষণ্ণতা বোধ করা।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস: ভিটামিন ডি-র অভাবে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, ফলে সামান্য ঋতু পরিবর্তনেই ঘন ঘন সর্দি-কাশি বা জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বাড়ে।
অতিরিক্ত চুল পড়া: যদি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি মাত্রায় চুল পড়তে শুরু করে, তবে রক্তে ভিটামিন ডি-র মাত্রা পরীক্ষা করা জরুরি।
কারা বেশি ঝুঁকিতে আছেন? যারা দিনের অধিকাংশ সময় ঘরে বা অফিসে কাটান, বয়স্ক ব্যক্তি এবং অন্তঃসত্ত্বা নারীদের ক্ষেত্রে এই ভিটামিনের ঘাটতি হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে।
বাঁচার উপায়: ভিটামিন ডি-র মূল উৎস হলো সূর্যালোক। তাই প্রতিদিন অন্তত ১৫-২০ মিনিট শরীরের কিছু অংশে রোদ লাগানোর চেষ্টা করুন। এছাড়া খাদ্যতালিকায় সামুদ্রিক মাছ, ডিমের কুসুম, মাশরুম এবং দুগ্ধজাত খাবার রাখুন। সমস্যা গুরুতর মনে হলে চিকিৎসকের পরামর্শে রক্ত পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা উচিত।
জান্নাত/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ