কৃষ্ণচূড়ার আগুনরাঙা রূপ প্রকৃতিতে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে

আমিরুল ইসলাম
প্রকাশ: সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১০ অপরাহ্ণ
কৃষ্ণচূড়ার আগুনরাঙা রূপ প্রকৃতিতে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে

তিমির বণিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: বৈশাখের রোদেলা দুপুরে মৌলভীবাজারের পথঘাট, জনপদ আর হাওরপাড় সেজেছে নতুন সাজে। চারদিকে এখন কৃষ্ণচূড়ার আগুনরাঙা লাল আর বেগুনি জারুলের সমারোহ। ঋতু বদলের এই অনিন্দ্যসুন্দর দৃশ্য মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের মনে।

মৌলভীবাজার শহরের ব্যস্ত সড়ক থেকে শুরু করে গ্রামের মেঠোপথ কিংবা নদীর ধারে—সবখানেই এখন রাজকীয় ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে আছে কৃষ্ণচূড়া গাছ। কোথাও কৃষ্ণচূড়ার পাশে বেগুনি জারুল বা হলুদ সোনালু মিলেমিশে তৈরি করেছে রঙের এক মেলবন্ধন। শ্রীমঙ্গল, রাজনগর ও কমলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষ্ণচূড়ার এই চোখধাঁধানো সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেখা গেছে পথচলতি মানুষকে। অনেকে থামছেন, ছবি তুলছেন কিংবা নিভৃতে উপভোগ করছেন প্রকৃতির এই অপার দান।

প্রকৃতিপ্রেমী সত্যজিৎ দাস বলেন, "বৈশাখে যখন কৃষ্ণচূড়া ফোটে, তখন মনে হয় প্রকৃতি নিজেই উৎসবে মেতে উঠেছে। এই সৌন্দর্য মানুষকে নতুন করে বাঁচার প্রেরণা যোগায়।" মাইজগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফেরদৌস আহমদ বলেন, "আমাদের বিদ্যালয়ের পুরোনো কৃষ্ণচূড়া গাছগুলো এখন ফুলে ফুলে ভরে গেছে। ওপরের দিকে তাকালে মনে হয় আকাশটাই লাল হয়ে আছে, আর নিচে যেন কেউ লাল গালিচা বিছিয়ে রেখেছে।"

প্রকৃতির এই রঙিন সাজ খুব বেশিদিন স্থায়ী হয় না। কয়েক দিনের মধ্যেই ঝরে যাবে পাপড়িগুলো। তবু যতদিন এই লাল আভা থাকে, ততদিন কৃষ্ণচূড়া যেন জানান দিয়ে যায়—ক্ষণস্থায়ী জিনিসগুলোই কখনো কখনো মানুষের মনে গভীর মুগ্ধতা রেখে যায়।

এ.আই.এল/সকালবেলা

মন্তব্য করুন