ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
জীবনযাপন ডেস্ক: দেশজুড়ে বইছে প্রচণ্ড দাবদাহ। এই অসহনীয় গরমে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে দেখা দিতে পারে ‘হিট স্ট্রোক’। এটি একটি জরুরি চিকিৎসাক্রান্ত অবস্থা, যা সঠিক সময়ে শনাক্ত বা প্রতিরোধ করতে না পারলে মস্তিষ্ক, হৃদপিণ্ড ও কিডনির স্থায়ী ক্ষতিসহ মৃত্যুঝুঁকি তৈরি করে।
শরীরের উচ্চ তাপমাত্রা: শরীরের তাপমাত্রা হঠাৎ ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা তার বেশি হয়ে যাওয়া।
ঘাম বন্ধ হওয়া: প্রচণ্ড গরমেও ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া এবং ঘাম না হওয়া।
মানসিক পরিবর্তন: কথা জড়িয়ে যাওয়া, বিভ্রান্তি বা আচরণে অসংলগ্নতা।
শারীরিক অস্বস্তি: তীব্র মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা এবং বমি ভাব।
দ্রুত স্পন্দন: শ্বাস-প্রশ্বাস এবং হৃদস্পন্দন অস্বাভাবিক দ্রুত হয়ে যাওয়া।
অন্যান্য: প্রস্রাব কমে যাওয়া, খিঁচুনি বা জ্ঞান হারিয়ে ফেলা।
১. শীতল স্থানে স্থানান্তর: রোগীকে দ্রুত ছায়াযুক্ত, বাতাস চলাচল করে এমন ঠাণ্ডা জায়গায় নিয়ে যান। ২. শরীরের তাপমাত্রা কমানো: গায়ের অতিরিক্ত কাপড় খুলে ফেলুন। ঠাণ্ডা পানি দিয়ে শরীর মুছিয়ে দিন। বগল, ঘাড় ও কুঁচকিতে বরফ বা ভেজা তোয়ালে দিয়ে বারবার স্পঞ্জ করুন। ৩. তরল পানীয়: জ্ঞান থাকলে রোগীকে পানি, ডাবের পানি বা ওরস্যালাইন খাওয়ান। ৪. সঠিক অবস্থান: রোগীকে শুইয়ে দিয়ে পা দুটো সামান্য উঁচু করে রাখুন। ৫. জরুরি চিকিৎসা: রোগী জ্ঞান হারালে বা অবস্থার উন্নতি না হলে কালক্ষেপণ না করে দ্রুত হাসপাতালে নিন।
রোদে সতর্কতা: দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সরাসরি রোদে বের হওয়া এড়িয়ে চলুন। প্রয়োজনে ছাতা, সানগ্লাস বা হ্যাট ব্যবহার করুন।
পোশাক নির্বাচন: বাইরে বের হলে ঢিলেঢালা, হালকা রঙের সুতির কাপড় পরুন।
পর্যাপ্ত পানি: তৃষ্ণা না পেলেও প্রচুর পানি, শরবত ও ফলমূল খান। চা, কফি বা ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো শরীরকে পানিশূন্য করে।
পরিশ্রম বর্জন: দুপুরের কড়া রোদে কঠোর পরিশ্রম বা ভারী ব্যায়াম করবেন না।
তীব্র গরমে সামান্য অবহেলা বড় বিপদের কারণ হতে পারে। তাই লক্ষণগুলো চিনে রাখা এবং সতর্ক থাকাই সুস্থ থাকার প্রধান উপায়।
জান্নাত/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ