ইরানের হামলার আশঙ্কায় ক্যাটারিং ট্রাকে ট্রাম্পের আত্মগোপন ও বিমান বদল
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরান ও এর সহযোগী গোষ্ঠীগুলোর সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ বা হত্যাচেষ্টার সুনির্দিষ্ট হুমকি মোকাবিলায় অভূতপূর্ব এক নিরাপত্তা কৌশল অবলম্বন করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
আমেরিকান প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট প্রথম এই নাটকীয় বিমান বদলের খবরটি প্রকাশ্যে আনে এবং পরবর্তীতে সিএনএন ও সিবিএস নিউজ মার্কিন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বরাতে বিষয়টি নিশ্চিত করে।
ক্যাটারিং ট্রাক ও বিভ্রান্তিকর 'ডিকয়' বিমান:
প্রতিবেদন থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, আঙ্কারার এসেনবোগা বিমানবন্দরে দৃশ্যমানভাবে সাংবাদিকদের সামনে দিয়ে ট্রাম্প পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠেন।
সাংবাদিকদের বিভ্রান্ত করতে প্রেসিডেন্ট যে বিমানে উঠেছিলেন, সেটিকে 'ডিকয়' (Decoy) বা ছদ্মবেশী বিমান হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এতে ট্রাম্পকে কভার করতে যাওয়া মূল সাংবাদিক দল এবং বেশ কয়েকজন হোয়াইট হাউস কর্মকর্তা অবস্থান করছিলেন, যারা তখনও ভাবছিলেন ট্রাম্প তাদের সাথেই রয়েছেন।
সাংবাদিকদের সন্দেহ ও ট্রাম্পের মন্তব্য:
উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই ডিকয় বিমানে থাকা সাংবাদিকদের নির্দেশ দেওয়া হয় প্রেস কেবিনের জানালার সব পর্দা বন্ধ রাখতে।
পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যের রয়্যাল এয়ার ফোর্স মিলডেনহল ঘাঁটিতে তিনটি বিমান (পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান, সি-৩২এ এবং কাতারের দেওয়া নতুন বিমান) একে একে অবতরণ করে।
হোয়াইট হাউসের ব্যাখ্যা:
বিমান বদলের চূড়ান্ত কারণ জানতে চাওয়া হলে ট্রাম্প প্রথমে কৌশলগত অজুহাত দেখিয়ে বলেছিলেন, জওয়ানদের নতুন বিমানটি ঘুরে দেখার সুযোগ দিতেই এই আয়োজন।
|