ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
অনলাইন ডেস্ক: ইরানের অর্থনীতির মেরুদণ্ড হিসেবে পরিচিত প্রধান পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।
সোমবার (৬ এপ্রিল ২০২৬) এই হামলার কথা নিশ্চিত করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (IDF)। একে ইরানের সামরিক ও অর্থনৈতিক সক্ষমতার ওপর এক বিশাল আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ এক বিবৃতিতে জানান, ইরানের আসালুয়েহ এলাকায় অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ এই পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনাটি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। এই একক স্থাপনাটি ইরানের মোট পেট্রোকেমিক্যাল উৎপাদনের প্রায় অর্ধেক নিয়ন্ত্রণ করত।
এর আগে গত সপ্তাহেও অপর একটি স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল। সব মিলিয়ে ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল রপ্তানির প্রায় ৮৫ শতাংশ এখন অচল হয়ে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দাবি:
“এই হামলায় ইরানি অর্থনীতিতে কয়েক হাজার কোটি ডলারের ক্ষতি হয়েছে। পেট্রোকেমিক্যাল শিল্প দেশটির রেভল্যুশনারি গার্ডসের (IRGC) অর্থায়ন এবং সামরিক শক্তি বৃদ্ধির প্রধান উৎস ছিল।”
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি সাম্প্রতিক সময়ে দুটি বড় পেট্রোকেমিক্যাল কোম্পানিতে হামলার খবর নিশ্চিত করেছে। এর আগে মধ্যস্থতাকারীদের দেওয়া ১৫-দফা যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ইরান প্রত্যাখ্যান করার পরপরই ইসরায়েল তাদের অবকাঠামোতে “পূর্ণ শক্তিতে” হামলার এই নির্দেশ দেয়।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল এই সরাসরি সংঘাত এখন চরম আকার ধারণ করেছে। তেলের বাজারে অস্থিরতা এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ইসরায়েল জানিয়েছে, তাদের লক্ষ্য ইরানের অর্থনৈতিক ও সামরিক অবকাঠামো পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া।
এই পরিস্থিতি ইরান-ইসরায়েল সংঘাতকে এক নতুন এবং অত্যন্ত জটিল পর্যায়ে নিয়ে গেছে, যা পুরো বিশ্বের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এ.আই.এল/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ