ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
অনলাইন ডেস্ক: সৃষ্টির শুরুতে হজরত আদম (আ.) ও বিবি হাওয়া (আ.)-কে জান্নাতে বসবাসের অনুমতি দিয়ে আল্লাহ তাআলা একটি নির্দিষ্ট বৃক্ষের ফল খাওয়া নিষিদ্ধ করেছিলেন। কিন্তু শয়তানের কুমন্ত্রণায় তারা সেই নিষিদ্ধ ফল খেয়ে ফেলেন। এই ভুলের কারণে আল্লাহ তাঁদের পৃথিবীতে পাঠিয়ে দেন।
পৃথিবীতে এসে তাঁরা নিজেদের ভুলের জন্য অত্যন্ত লজ্জিত হন এবং আল্লাহর দরবারে ক্ষমা চাইতে থাকেন। তখন পরম করুণাময় আল্লাহ তাঁদের অনুতপ্ত হৃদয়ে পাঠ করার জন্য একটি বিশেষ দোয়া শিখিয়ে দেন, যা পবিত্র কুরআনে বর্ণিত হয়েছে।
ক্ষমা প্রার্থনার সেই দোয়া: رَبَّنَا ظَلَمْنَاۤ اَنْفُسَنَا وَ اِنْ لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَ تَرْحেমْنَا لَنَكُوْنَنَّ مِنَ الْخٰسِرِیْنَ.
উচ্চারণ: রাব্বানা জলামনা আনফুসানা ওয়া ইললাম তাগফির লানা ওয়া তারহামনা লানাকু-নান্না মিনাল খাসিরিন।
অর্থ: "হে আমাদের প্রতিপালক, আমরা নিজেদের প্রতি অবিচার করে ফেলেছি। যদি আপনি আমাদের ক্ষমা না করেন এবং দয়া না করেন, তবে অবশ্যই আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হব।" (সুরা: আরাফ, আয়াত: ২৩)
দোয়াটির গুরুত্ব: আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রিয় বান্দা আদম (আ.)-কে যে ভাষা শিখিয়েছেন, তা কিয়ামত পর্যন্ত মানবজাতির জন্য তওবা ও আল্লাহর পথে ফিরে আসার শ্রেষ্ঠ পাথেয় হয়ে থাকবে। এই দোয়া কেবল কিছু শব্দের সমষ্টি নয়; বরং এটি লজ্জা, গভীর অনুতাপ, বিনয় এবং আল্লাহর অসীম রহমতের প্রতি পূর্ণ আস্থার এক অনন্য বহিঃপ্রকাশ। একজন মুমিন যখনই কোনো গুনাহ করে ফেলে, এই দোয়ার মাধ্যমে সে আল্লাহর নৈকট্য ও ক্ষমা লাভ করতে পারে।
জান্নাত/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ