ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
মোঃ বাপ্পি শেখ, ঝিনাইদহ: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীদের শ্লীলতাহানি ও যৌন নিপীড়নের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত শিক্ষক জামিরুল ইসলামের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ফুঁসে উঠেছে স্থানীয় এলাকা।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক জামিরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রীদের শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেওয়া এবং কুরুচিপূর্ণ কথা বলে আসছিলেন। গত ২০ এপ্রিল এক ছাত্রীর সাথে অশালীন আচরণ করতে গেলে সে বাধা দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শিক্ষক তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। বাড়িতে ফিরে ওই শিশুটি পরিবারের কাছে সব খুলে বললে দীর্ঘদিনের এই গোপন পৈশাচিকতা প্রকাশ্যে আসে।
সাংবাদিকদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়ে তিনজন ভুক্তভোগী ছাত্রী জানায়, ওই শিক্ষক তাদের একা ক্লাস করতে বাধ্য করতেন এবং কুপ্রস্তাব দিতেন। রাজি না হলে মারধর এবং পরীক্ষার খাতা কেড়ে নেওয়ার হুমকি দিতেন। এক শিক্ষার্থী আক্ষেপ করে বলে, “আমাদের ছোট বোনরাও এই স্কুলে পড়ে, তাদের ভবিষ্যতের কথা ভেবেই আমরা এই অন্যায়ের বিচার চাই। এমন পশুর হাতে কলম থাকতে পারে না।”
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের সাথে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, “বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। সংশ্লিষ্ট উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
ক্ষুব্ধ জনতা এখন কেবল অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলছেন, যাতে আর কোনো শিশুর শৈশব এভাবে কলঙ্কিত না হয়।
এ.আই.এল/সকালবেলা
| আজকের তারিখঃ বঙ্গাব্দ